ইজিপ্ট এয়ারের বিমানটি যোগাযোগবিচ্ছিন্ন হওয়ার কয়েক মিনিট আগে সেখানকার টয়লেটে ধোঁয়া সৃষ্টি হয় বলে শুরু থেকেই ধারণা করা হচ্ছিল। এয়ারবাসটির এয়ারক্রাফট কমিউনিকেশন অ্যাড্রেসিং অ্যান্ড রিপোর্টিং সিস্টেম (এসিএআরএস) থেকে পাওয়া তথ্যের বরাত দিয়ে সেসময়ই বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে এমন ধারণার কথা জানানো হয়েছিল। সর্বশেষ বিমানের ফ্লাইট ডাটা রেকর্ডারের তথ্য বিশ্লেষণ করে তদন্তকারীরা জানান, বিমানটি বিধ্বস্ত হওয়ার আগে সেখানকার টয়লেটে এবং ককপিটের নিচের দিকে ধোঁয়া শনাক্ত হয়েছিল। ধোঁয়া শনাক্তের সংকেত দিয়ে একটি স্বয়ংক্রিয় ইলেক্ট্রনিক বার্তাও দেওয়া হয়েছিল বিমান থেকে। সেই বার্তার সঙ্গে রেকর্ডারের তথ্যের সামঞ্জস্য রয়েছে বলে নিশ্চিত করেন তদন্তকারীরা। এবার ককপিট ভয়েস রেকর্ডার বিশ্লেষণ করেও একইরকম তথ্য পাওয়া গেছে। তবে চূড়ান্ত ধারণা পাওয়ার জন্য আরও কিছুদিন অপেক্ষা করতে হবে।
বিমান বিশেষজ্ঞ অলিভার ম্যাকগি কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরাকে বলেন, নতুন তথ্য বিশ্লেষণের মধ্য দিয়ে ব্যাখ্যা পাওয়া যাবে যে কেন পাইলট অ্যালার্ম বাজাননি। তিনি বলেন, ‘বিমানে আগুন লাগার ঘটনা খুব জটিল একটি বিষয়। বিমানে যখন পাইলটকে আগুন নেভানোর কাজও করতে হয় তখন তার পক্ষে বিমান চালনা করা কঠিন হয়ে পড়ে।
মিসরীয় তদন্তকারীরা বলছেন, হামলাসহ বিমান বিধ্বস্ত হওয়ার কোনও ধরনের সম্ভাবনাকেই উড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে না। তাদের মতে, হুট করে আগুন লাগার ঘটনা খুব বিরল।