যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি বিভাগের এক বিবৃতিতে বলা হয়, কিম জং-উন উত্তর কোরিয়ায় মানবাধিকার লঙ্ঘনের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা ব্যক্তিদের কোনও সম্পদ যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে থাকলে তা জব্দ করা হবে। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের কোনও নাগরিক ওই ব্যক্তিদের সঙ্গে কোনও ব্যবসায়িক সম্পর্কে জড়াতে পারবেন না।
পরমাণু অস্ত্র কর্মসূচির কারণে উত্তর কোরিয়ার ওপর এরই মধ্যে কয়েক দফা নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, উত্তর কোরিয়াকে পুরোপুরি একাকী করতে চাইছে যুক্তরাষ্ট্র। আর তারই অংশ হিসেবে এবার দেশটির নেতা কিম জং-উন এবং শীর্ষ কর্মকর্তাদের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।
এর আগে সিরীয় নেতা বাশার আল-আসাদ এবং লিবিয়ার সাবেক নেতা মুয়াম্মার গাদ্দাফির বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিল যুক্তরাষ্ট্র।
মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের হিসেব অনুযায়ী, উত্তর কোরিয়ায় ৮০ হাজার থেকে এক লাখ ২০ হাজার বন্দি আছে। উত্তর কোরীয় নেতা কিম জং-উনের নির্দেশে বিভিন্ন বন্দিশিবিরে নির্যাতন ও যৌন নিপীড়ন চালানো হয় এবং অনেক বন্দিকে হত্যা করা হয় বলে অভিযোগ করে আসছে যুক্তরাষ্ট্র।
/এফইউ/