মিশেল ওবামার বক্তব্যে তোলপাড়

প্রকাশ্যে এলো হোয়াইট হাউসের ‘ব্ল্যাক’ ইতিহাস

noname`এই দেশের গল্পই বলছি আপনাদের। সেই গল্প, যার কারণে  আজকের এই রাতে আপনারা এই মঞ্চে আমাকে দেখছেন ফাস্ট লেডির ভূমিকায়। গল্পটা প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে প্রবাহিত মার্কিন জনগোষ্ঠীর দাসত্বের কষাঘাত সম্পর্কিত অজানা ইতিহাসের। দাসত্ব থেকে জন্ম নেওয়া অধঃস্তনতার লজ্জার গল্প বলছি আমি। বলছি, মানুষে মানুষে পরস্পর-বিচ্ছিন্নতার হুল থেকে জন্ম নেওয়া এক গল্প। তবে সংগ্রাম, আশা আর তৎপরতার মধ্য দিয়ে সেই ইতিবাচকতা অর্জিত হয়েছে যা হওয়া উচিত। সেই অগ্রগতি আর প্রগতির কারণেই কৃঙ্গাঙ্গ হয়েও আমি প্রেসিডেন্ট প্রাসাদ হিসেবে এমন একটা বাড়িতে প্রতিদিন ঘুম থেকে জাগছি, যেটি দাসদের তৈরি। আমি দেখছি, দাসদের তৈরি করা সেই বাড়িতে, সেই হোয়াইট হাউসের লনে কুকুরের সঙ্গে খেলা করছে দু’জন সুন্দর-বুদ্ধিমতী কালো মেয়ে।’
এভাবেই হোয়াইট হাউস নির্মাণের নেপথ্যে দাসদের ভূমিকার কথা সামনে এনেছেন মার্কিন ফার্স্ট লেডি মিশেল ওবামা। প্রেসিডেন্ট নির্বাচনকে সামনে রেখে চলমান ডেমোক্র্যাটিক পার্টির ন্যাশনাল কনভেনশনে দেওয়া বক্তৃতায় এই মন্তব্য করেছেন তিনি। হোয়াইট হাউস নির্মাণে দাসদের, তথা আফ্রিকান-আমেরিকান কালো মানুষদের ইতিহাস তুলে আনায় মিশেলের বক্তব্য নিয়ে তোলপাড় চলছে। রক্ষণশীলদের একাংশ একে অস্বীকার করতে চাইলেও ইতিহাসবিদ, অনুসন্ধানী সংবাদমাধ্যম আর সচেতন রাজনীতি ভাষ্যকাররা মিশেলের বক্তব্যকে যথার্থ বলে রায় দিয়েছেন। উল্লেখ্য এবারই প্রথম নয়। কদিন আগেও একই ধরনের মন্তব্য করেছিলেন মিশেল। প্রেসিডেন্ট ওবামাও হোয়াইট হাউস নির্মাণে দাসদের ভূমিকার কথা তুলে এনেছিলেন বছর খানেক আগে। তবে একেবারে ডেমোক্র্যাটিক ন্যাশনাল কনভেনশনে করা মিশেলের মন্তব্য আলাদা তাৎপর্য নিয়ে হাজির হয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। তারা বলছেন, এর মধ্য দিয়ে আমাদের চেনাজানা পরিসরের বাইরে লুকিয়ে থাকা এক সত্যিকারের জন-ইতিহাস উন্মোচনের সুযোগ তৈরি হয়েছে।
তবে বিরুদ্ধ মতও রয়েছে। কেউ কেউ মনে করছেন, বর্ণবাদ ইস্যুর রাজনৈতিক ব্যবহারের মধ্য দিয়ে নিজেদের বিলাসী বাস্তবতা আড়াল করছেন ওবামা-মিশেল।

noname
রক্ষণশীলরা বলতে চাইছেন, মিশেলের বক্তব্যের ভিত্তি নেই। তাদের মতে, সংস্কারকৃত হোয়াইট হাউস আসলে সাদা মানুষদেরই তৈরি। তবে রক্ষণশীলদের একজন ফক্স নিউজের হোস্ট বিল ও রেইলি আরও খানিকটা এগিয়ে গেছেন। হোয়াইট হাউসের একাংশ দাসদের হাতে তৈরি হয়েছে, মিশেলের এই মন্তব্য মেনে নিয়েই তিনি বলেছেন, ওই দাসদের ভালো খাবারদাবার দেওয়া হতো, তাদের ভালো বাড়িতে রাখা হয়েছিল! ফক্স নিউজের এক অনুষ্ঠানে বিল ও রেইলি বলেন, ‘যে দাসরা এখানে কাজ করত, তাদের ভালো খাবার দেওয়া হতো। থাকার জন্য ভালো জায়গাও দেওয়া হতো। তবে ১৮০২ সালে সরকার দাস আমদানি বন্ধ করে। যাইহোক, তাই মিশেল ঠিকই বলেছেন যে দাসরা হোয়াইট হাউস বানিয়েছে। তবে দাসদের সঙ্গে সেখানে অন্যান্য শ্রমিকরাও ছিলেন।’

রেইলির বক্তব্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সমালোচনার ঝড় উঠেছে। টুইটারে ভালো খাবারের বিপরীতে শৃঙ্খল কতোটা ভয়ঙ্কর তা উপলব্ধি করতে বলা হয়েছে তাকে।

 noname

রেইলিকে খোলা চিঠি লিখেছেন একজন আফ্রিকান আমেরিকান। তাকে অভিযুক্ত করেছেন মিথ্যাচারের অভিযোগে। তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, দাসদের থাকার জায়গাগুলো রেইলি দেখেছেন কিনা। তিনি খোলা চিঠিতে লিখেছেন ‘ভালো খেতে দেওয়া’ কিংবা ‘ভালো খাকতে দেওয়া’র প্রশ্ন গরু জাতীয় প্রাণীর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, মানুষ নয়।

উল্লেখ্য এবারই প্রথম মিশেল ওবামা এ ধরনের মন্তব্য করলেন, তা নয়। গতমাসে নিউ ইয়র্কের সিটি কলেজে দেওয়া এক বক্তৃতায় প্রায় একই ধরনের মন্তব্য করেছিলেন তিনি। 'হোয়াইট হাউসে যে কৃষ্ণাঙ্গ একজন প্রেসিডেন্ট, তার কৃষ্ণাঙ্গ স্ত্রী-সন্তান মিলে রয়েছেন, তা মার্কিন সমাজের পূর্বসূরীরা কল্পনাও করতে পারবেন না। সব তাদের সংগ্রামেরই ফলাফল। তাদের ভূমিকা স্বীকার করার মধ্য দিয়েই আমাদের নিজেদের স্বীকৃতি প্রতিষ্ঠিত হয়।’ মিশেলের আগে ওবামাও একইভাবে হোয়াইট হাউস নির্মাণে নিজ সম্প্রদায় তথা আফ্রিকান-আমেরিকান দাসদের ভূমিকার কথা সামনে এনেছিলেন। ‘ব্লাডি সানডে’র (১৯৭২ সালে ভোটাধিকারের দাবিতে আফ্রিকান-আমেরিকানদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে গুলি চালিয়ে শত শত কৃষ্ণাঙ্গকে হত্যা করে মার্কিন সেনাবাহিনী। দিনটিকে ব্ল্যাডি সান ডে নামে ডাকা হয়।) এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেছিলেন, ‘আমরাই সেই দাস, যারা হোয়াইট হাউস নির্মাণ করেছি’। তবে আগের এইসব মন্তব্য যতোটা না প্রভাব তৈরি করতে সক্ষম হয়েছে খোদ ডেমোক্র্যাটিক ন্যাশনাল কনভেনশনে হোয়াইট হাউস নির্মাণে দাসদের ভূমিকার প্রশ্ন ওঠায় তা আলাদা তাৎপর্য তৈরি করেছে। তা অপরিহার্য আলোচনা-সমালোচনা ও বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।
noname

‘সাদা ভবনের অন্ধকার ইতিহাস’ (ব্ল্যাক হিস্টরি অব হোয়াইট হাউস) শিরোনামে একটি বই লিখেছিলেন ক্লারেন্স লিউসেন নামের একজন মার্কিন অধ্যাপক। হাবার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের এই প্রধান ব্যক্তিত্ব হোয়াইট হাউস নিয়ে পুঙ্ক্ষানুপুঙ্খ গবেষণা করেছেন। ফার্স্ট লেডি মিশেলের মন্তব্যকে ‘ঐতিহাসিক মুহূর্ত’ হিসেবে দেখছেন ইতিহাসবিদ ক্লারেন্স লিউসেন। তিনি বলেছেন, ‘আমি অভিভূত যে তিনি (মিশেল) দাসত্বের নাগপাশে পিষ্ট আমেরিকানদের একাংশকে শনাক্ত করেছেন। তিনি বৃহত্তর জনগোষ্ঠীকে এমন এক ইতিহাসের দিকে মুখ ফেরাতে বাধ্য করেছেন যা সচারাচর আমাদের স্কুলগুলোতে পড়ানো হয় না’।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াশিংটন পোস্টের প্রতিবেদন বলছে, হোয়াইট হাউজের নির্মাণ তথ্য অনুযায়ী ১৭৯২ সালে ভবনটির নির্মাণ কাজ শুরু হয়েছিল। বেশ কয়েক বছর ধরে চলেছিল ঐতিহ্যবাহী ওই ভবনের নির্মাণ কাজ। তবে সেখানে কত সংখ্যক ক্রীতদাসকে কাজ করতে বাধ্য করা হয়েছিল তা এখনও অজানা। ওয়াশিংটন পোস্টকে লিউসেন বলেন, তার গবেষণার ফলাফল অনুযায়ী, অষ্টাদশ শতাব্দির শেষের দিকে ওয়াশিংটনের উন্নয়নের প্রচেষ্টায় ক্রীতদাসরা ব্যাপকভাবে যুক্ত ছিলেন। তিনি বলেন, ‘কতজন ক্রীতদাসকে ব্যবহার করা হয়েছিল, তাদের নাম কী ছিল সে ব্যাপারে আমরা কমই জানি। তবে জানি তাদের কেউ কেউ দক্ষ শ্রমিক ছিলেন, তারা রাজমিস্ত্রীর কাজ করেছিলেন। ওই ক্রীতদাসদের কত টাকা দেওয়া হয়েছিল সে তথ্য নিয়ে তাদের মালিকদের কাছ থেকে সংগ্রহ করা রেকর্ড আমাদের হাতে রয়েছে।’

 noname

হোয়াইট হাউজ হিস্টরিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের ওয়েবসাইটে বলা হয়, সরকারের একটি খনিতে ক্রীতদাসদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছিল। পাথর কাটা শেখানো হয়েছিল তাদের। পরে প্রেসিডেন্টের বাসভবনের দেয়া্ল তৈরির স্কটিশ রাজমিস্ত্রীরা সে পাথরগুলো বসিয়েছিলেন। যাদেরকে দিয়ে নির্মাণ কাজ করানো হয়েছিল তাদের মধ্যে আছেন, ভার্জিনিয়া ও ম্যারিল্যান্ডের শ্বেতাঙ্গ শ্রমিক এবং আয়ারল্যান্ড ও স্কটল্যান্ডের অভিবাসীরা।

মার্কিন কংগ্রেসের সদস্য, হোয়াইট হাউজ ও বেশ কিছু গোষ্ঠীর পক্ষ থেকে দেওয়া বিবৃতির সত্যতা পরীক্ষা সংক্রান্ত প্রকল্প পলিটিফ্যাক্টের তথ্য অনুযায়ী, ২০০৫ সালে ‘হিস্ট্রি অব স্লেইভ লেবারস ইন দ্য কন্সট্রাকশন অব দ্য ইউনাইটেড স্টেটস ক্যাপিটল’ শিরোনামে একটি প্রতিবেদনে ক্যাপিটলের (আইনপ্রণেতাদের বৈঠকের স্থান) নির্মাণ কাজে ক্রীতদাসদের সংশ্লিষ্টতার ব্যাপক প্রমাণ পাওয়া গেছে। তারা বলছে, একইভাবে এবার মিশেল ওবামার বক্তব্যকেও সত্য মনে রায় দিচ্ছেন তারা

এদিকে কংগ্রেসনাল টাস্কফোর্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘নির্মাণ প্রক্রিয়ায় কত সংখ্যক দাসকে ব্যবহার করা হয়েছিল তা কখনও কেউ হয়তো জানতে পারবে না। তবে হোয়াইট হাউজের নির্মাণ কাজে কতটা নিষ্ঠুরভাবে শ্রমিকদের ব্যবহার করা হয়েছিল তা ধারণা করা গেছে। দাসদেরকে রাজমিস্ত্রী, কাঠমিস্ত্রীর কাজ, কার্টিং, প্লাস্টার করা, পেইন্টিং ও চাকচিক্য বাড়ানোর মতো সব ধরনের নির্মাণ কাজে দাসীদের ব্যবহার করা হতো। সঠিক ও প্রয়োজনীয় আকারের পাথর সরবরাহের জন্য দাসদেরকে দিয়ে মার্বেল ও বেলেপাথরের খনিতে প্রচণ্ড খাটানো হতো। ভার্জিনিয়ার গ্রামাঞ্চলে এবং অন্যান্য জনশূন্য এলাকায় একাকী কাজ করতে হতো তাদের’। আর ১৭৯৪ সালে খনি পরিচালনাকারী উইলিয়াম ও’নিল বরাবর কমিশনারদের পক্ষ থেকে দেওয়া নির্দেশনায় দেখা যায়, ‘নিগ্রোদের এক বছরের জন্য ভাড়া করার এবং তাদেরকে দিয়ে প্রতিদিন সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত কাজ করানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল’। 

noname

জেসি হোল্যান্ড নামের একজন ওয়াশিংটনভিত্তিক সাংবাদিক “অদেখা মানুষেরা: হোয়াইট হাউসে আফ্রিকান-আমেরিকান দাসত্বের না-বলা ইতিহাস” শিরোনামে একটি বই লিখেছেন। সেখানে তিনি বলেছেন, ‘বেশিরভাগ মানুষ কোনওদিন ভেবে দেখেনি, তাদের দেশের রাষ্ট্রপতি ভবন কিংবা অন্যান্য সরকারী ভবনগুলো কীভাবে তৈরী হয়েছিল, কারা সেগুলো বানিয়েছিল। তবে ইতিহাসবিদেরা দাসদের ভূমিকা অস্বীকার করতে পারেননি।’ এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘যদি আপনি এ নিয়ে ভাবেন, তো এটা খুবই অপরিহার্য ভাবনা। হোয়াইট হাউস একটা নয়া-ধ্রুপদী স্থাপনা । দক্ষিণ আমেরিকায় যখন এটি প্রতিষ্ঠা করা হয় তখন ছিল দাসত্বের যুগ। এবং এই ভবনের অধিকাংশ তৈরী হয়েছে সেই দাসত্বের যুগের দাসদের ব্যবহার করে।  তিনি যোগ করেন, ‘আমরা আমেরিকানরা আমাদের দেশ নিয়ে অসংখ্য মিথ তৈরী করেছি, এবং বেশিরভাগ সময়ই সেইসব মিথের নেপথ্যের ইতিহাস খুজেঁ দেখি না আমরা। আমি মনে করি, সত্যের অনুসন্ধান এবং সবার ভূমিকা স্বীকার করার মধ্য দিয়ে আমাদের দেশ আরও সমৃদ্ধ হতে পারে’।

নিউ ইয়র্ক টাইমসের হোয়াইট হাউস বিষয়ক সাংবাদিক জুলি ডেভিস। তিনি লিখেছেন, ‘মিশেল খুবই অনালোচিত এক ঐতিহাসিক তথ্যকে সামনে এনেছেন, যে তথ্য মার্কিন ইতিহাসে তার আফ্রিকান-আমেরিকান পরিবারের নাটকীয় অবস্থান তৈরি করেছে।’

হাবার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের প্রধান ক্লারেন্স লিউসেন জানান, নির্মাণকাজে উল্লেখযোগ্যসংখ্যক শ্রমিক জড়িত ছিল বলে ধারণা করা যায়। তারা পুরোপুরিভাবে শহর গঠনের কাজ করছিল। কাজটি শেষ করতে ১০ বছর লেগেছিল এবং নিশ্চিতভাবে বলা যায় কাজ করতে গিয়ে আহত হয়ে, রোগে ভুগে কিংবা দুর্ঘটনার শিকার হয়ে লোকজনকে মৃত্যুবরণ করতে হয়েছিল।

ক্ষমতা আর প্রাচুর্যের প্রতীক হয়ে ওঠা এ ভবনটির ইটের ভাজেঁ ভাঁজে  ক্রীতদাসদের যে কষ্টগাঁথা লিপিবদ্ধ হয়ে রয়েছে, সোমবার যেন দাসদের সেই অস্তিত্বের ইতিহাস আরেকবার জীবিত হয়ে ওঠে ফার্স্ট লেডি মিশেল ওবামার কণ্ঠে। লিউসেন বলছেন, তার মতো ইতিহাসবিদেরা ইতিহাসের যে অংশটুকু হোয়াইট হাউজে ধ্বনিত হওয়ার স্বপ্ন দেখতেন তারই বাস্তবায়ন ঘটলো এদিন।

noname

মানবাধিকাভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ইনফোওয়্যার একে বর্ণবাদ ইস্যুর রাজনৈতিক ব্যবহার হিসেবেই দেখছে। ইনফোওয়্যারের এক প্রতিবেদনে প্রশ্ন তোলা হয়েছে ওবামা ও তার পরিবারের ছুটিকালিন মাত্রাতিরিক্ত ব্যয় নিয়ে। সিক্রেট সার্ভিসের গত বছরের ফাঁস হওয়া এক রিপোর্টের বরাত দিয়ে তারা বলছে, প্রেসিডেন্ট অবস্থায় ছুটিকালিন ওবামার পরিবার ৭১ মিলিয়ন ডলারের রাষ্ট্রীয় অর্থ ব্যয় করেছেন। হিসেব কষে তারা দেখিয়েছে, এটি মার্কিন জনগণের করের টাকা। ইনফোওয়্যার ওই মার্কিন জনতাকে বলছে নতুন যুগের ক্রীতদাস। ইনফোওয়্যারের ভাষ্য মতে, এই যে ওবামা আর মিশেলরা তাদের টাকায় বিলাস করছেন আবার কৃষ্ণাঙ্গদের সংগ্রামী ভূমিকার কথাও বলছেন, তা বর্ণবাদের রাজনৈতিক ব্যবহার ছাড়া আর কিছুই নয়।

/বিএ/