এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে পাকিস্তানভিত্তিক সংবাদমাধ্যম দ্য এক্সপ্রেস ট্রিবিউন।
নিহত সামিয়া শাহিদের স্বামী মুক্তার কাজাম তার স্ত্রীর হত্যাকে ‘অনার কিলিং’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। পাকিস্তানে এটা প্রায় নিত্যদিনের ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবারের সম্মানহানির অভিযোগে এ অনার কিলিংয়ের ঘটনা ঘটছে।
কাজাম ‘অনার কিলিং’র এর ওপর আন্তর্জাতিক মনোযোগ আকর্ষণ করতে চান।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তৃতাকালে তিনি আবেগপ্রবণ হয়ে ওঠেন। তিনি বলেন, ‘আমি ব্রিটিশ ও পাকিস্তান সরকারের কাছে নিরপেক্ষ বিচারের অনুরোধ জানাচ্ছি।’
কাজাম ও শাহিদ উভয়ে পাকিস্তান ও যুক্তরাজ্যের দ্বৈত নাগরিক। পুলিশ জানায়, তারা দুই বছর আগে বিয়ে করেন এবং দুবাইতে থাকতেন। এটা শাহিদের দ্বিতীয় বিয়ে ছিল।
কাজাম বলেন, বিয়ের আগে তার স্ত্রী শিয়া ইসলাম গ্রহণ করেন। এতে তার পরিবার ক্ষুব্ধ হয়।
তিনি অভিযোগ করেন, গত ২০ জুলাই পাঞ্জাব প্রদেশে নিজ গ্রামে পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে গেলে শাহিদকে হত্যা করা হয়।
শাহিদের বাবা এ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, তিনি তদন্ত চান না। তিনি দাবি করেন, তার মেয়ের স্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে।
পুলিশ বলেছে, হত্যার সঙ্গে শাহিদের প্রথম স্বামীর সংশ্লিষ্টতা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে তিনি গ্রেফতারের আগেই জামিন নিয়েছেন।
এছাড়া তার বাবা-মা ও এক চাচাতো ভাইয়ের সংশ্লিষ্টতাও তদন্ত করা হচ্ছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
/এমপি/