স্থানীয় প্রশাসনের বরাতে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া জানিয়েছে, ১৪টি জেলার ৭৮ টি ব্লক এলাকা প্লাবিত হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন ৬৪২টি পঞ্চায়েতের প্রায় ৩৩ লাখ মানুষ। ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, কিন্তু তা পুরোপুরি নিরূপণ করা সম্ভব হয়নি বলে স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে।
বন্যায় সবচেয়ে বেশি মৃত্যুর খবর এসেছে পূর্ণিয়া জেলা থেকে। ২৮ জন মারা গেছেন এই জেলায়। এছাড়াও আরারিয়া জেলায় নিহতের সংখ্যা ২১। কাটিহারে ১৫ ও সুপুয়ালে ৮ জন মারা গেছেন। কিষাণগঞ্জে নিহতের সংখ্যা ৫, মাধেপুরা ও গোপালগঞ্জে ৪ এবং দ্বারভাঙায় ৩ জন মারা গেছেন। সহর্ষা সারণ ও মুজাফ্ফরনগর জেলায় মারা গেছেন একজন করে।
নেপালে প্রবল বৃষ্টির ফলে রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় এখনও বিপদসীমার বেশ উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে গঙ্গা। খাগাড়িয়ার বালতারা ও কাটিহারের কুরসেলা এলাকায় কোশি নদীও প্রবাহিত হচ্ছে বিপদসীমার উপর দিয়ে। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে প্রায় ২ লাখ হেক্টর কৃষিজমি।
বন্যা কবলিত এলাকায় খোলা হয়েছে ৪৬৪টি ত্রাণশিবির। বিভিন্ন আশ্রয়কেন্দ্রে রয়েছেন প্রায় ৩ লাখ ৮৬ হাজার ৪৪৯ জন। ২২৪টি মেডিক্যাল টিম উপদ্রুত এলাকায় কাজ করছে। এছাড়াও বন্যাদুর্গতদের নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র সরবরাহ করছে স্থানীয় প্রশাসন।
ভারতের কেন্দ্র সরকারও বন্যা মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় সাহায্য করবে বলে জানিয়েছে। বন্যা কবলিত এলাকায় উদ্ধার ও ত্রাণকাজ চালাচ্ছে জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী ও বিহারের বিপর্যয় মোকাবিলা দফতর। সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া, ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস।
/এসএ/বিএ/