পুলিশের দেওয়া এক বিবৃতিতে বলা হয়, শনিবার মিলওয়াউকি শহরের একটি রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় পুলিশ ওই তরুণের গাড়িটিকে থামতে বলে। সে সময় গাড়ি থেকে নেমে পালিয়ে যায় সে। পরে তাকে ধাওয়া করতে গিয়ে পুলিশ গুলি করে। গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যায় ওই তরুণ।’
নিহত তরুণ কোন জাতিগোষ্ঠীর অন্তর্ভূক্ত তা বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়নি। তবে তার হাতে একটি চুরি করা হ্যান্ডগান ছিল এবং তার পূর্বে গ্রেফতার হওয়ার রেকর্ড রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
এর আগেও পুলিশের হাতে কৃষ্ণাঙ্গ নাগরিক হত্যার ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে বিভিন্ন সময়ে বিক্ষোভ হয়েছে। শনিবার নতুন করে পুলিশের গুলিতে তরুণ নিহত হওয়ার ঘটনায় আবারও ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে যুক্তরাষ্ট্রবাসী। বিক্ষোভ করতে মিলওয়াউকির রাস্তায় নেমে আসে তারা। চলে অগ্নিসংযোগের ঘটনা। বিক্ষুব্ধরা পুলিশের গাড়িতে ইট ছুড়লে এক কমর্কর্তা মাথায় আঘাত পান। পুলিশের দাবি, গুলি চলতে থাকায়, শুরুতে আগুন নেভাতেও দমকলকর্মীরা হিমশিম খাচ্ছিলেন।
এদিকে মিলওয়াউকির মেয়র টম ব্যারেট রাস্তায় বিক্ষোভরতদের বাড়িতে ফিরিয়ে নেওয়ার জন্য তাদের মা-বাবার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। শনিবার রাতভর চলা সহিংসতা বন্ধ করতে পুলিশের পক্ষ থেকেও আহ্বান জানানো হয়। এখন মিলওয়াউকি শহরের উত্তরের অংশ শান্ত হয়ে এসেছে বলে বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। সূত্র: বিবিসি
/এফইউ/