গত ৪ জুলাই জঙ্গি সংগঠন আইএস ও জেএমবির সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা থাকার অভিযোগে বর্ধমান স্টেশন থেকে আটক হন বীরভূমের বাসিন্দা মোহাম্মদ মুসাউদ্দিন ওরফে মুসা। মঙ্গলবার মুসাকে আদালতে হাজির করা হলে তাকে দুইদিনের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য এনআইয়ের হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়। এর আগের দিন অর্থাৎ সোমবার রাতে গুলশান ও শোলাকিয়ায় জঙ্গি হামলার তদন্তে র্যাবের তিন সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল কলকাতায় পৌঁছায়। মঙ্গলবার সকালে ওই প্রতিনিধি দল কাজ শুরু করে। পরে এনআইএ’র কার্যালয়ে মুসাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে র্যাব।
এনআইএ’র শীর্ষ এক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস জানিয়েছে, বাংলাদেশ হয়ে ভারতে জাল টাকা পাচারে মুসার ভূমিকা নিয়ে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। বুধবার আবারও তাকে জিজ্ঞাসা করার কথা।
আবার অন্য একটি সূত্রের বরাত দিয়ে ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদনে গুলশান হামলার ‘মাস্টারমাইন্ড’ তামিম চৌধুরীর সঙ্গে মুসার সংশ্লিষ্টতা খুঁজে দেখছেন বাংলাদেশের প্রতিনিধিরা। তামিম চৌধুরী ভারতে বিশেষ করে দেশটির উত্তর-পূর্বাঞ্চলে আইএস-এর সদস্য সংগ্রহকারী হিসেবেও পরিচিত।
সূত্রের দাবি, র্যাবের প্রতিনিধি দলটি জামায়াতুল মুজাহাদিন বাংলাদেশের (জেএমবি) অন্যতম সন্দেহভাজন আবু সুলেমান ওরফে মোহাম্মদ সুলেমানের সঙ্গেও মুসার সংশ্লিষ্টতা খতিয়ে দেখছেন। সূত্র: ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস
/এফইউ/বিএ/