ন্যাচার জিওসায়েন্স সাময়িকীতে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে গবেষকরা এমন দাবি করেছেন। ২০০০ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত এ অঞ্চলের ভূগর্ভস্থ পানির মাত্রা ও গুণাগুণ নিয়ে স্থানীয় রেকর্ডের ভিত্তিতে নতুন গবেষণাটি করা হয়েছে।
গবেষকদের দাবি, ভূগর্ভের ২০০ মিটার গভীরে অর্থাৎ অববাহিকায় সংরক্ষিত থাকা ভূগর্ভস্থ পানির ২৩ শতাংশ খুবই লবণাক্ত এবং ৩৭ শতাংশ আর্সেনিকযুক্ত।
বৈশ্বিকভাবে ভূগর্ভ থেকে টাটকা পানি হিসেবে উত্তোলনকৃত পানির প্রায় এক চতুর্থাংশই নেওয়া হয় ইন্দো-গাঙ্গেয় অববাহিকা থেকে। পানির পরিমাণ হ্রাস পাওয়ার উদ্বেগের পরও প্রতিবছর ওই অববাহিকা থেকে ১৫ থেকে ২০ মিলিয়ন কূপ পরিমাণ পানি শোষিত হচ্ছে।
গবেষণায় দেখা গেছে অ্যাকুয়িফায়ারের প্রায় ৭০ শতাংশ জুড়ে পানির পরিমাণ বাড়ছে কিংবা স্থিতিশীল আছে। আর অ্যাকুয়িফায়ারের বাকি ৩০ শতাংশ এলাকায় পানির পরিমাণ কমছে।
যাচ্ছেতাই ভাবে কৃষিকাজে সেচের ব্যবহার এবং দুর্বল ড্রেনেজ ব্যবস্থাসহ প্রাকৃতিক ও মানবসৃষ্ট এ দুই কারণেই ভূগর্ভস্থ পানি লবণাক্ত হতে পারে। পানিতে আর্সেনিকের উপস্থিতিও প্রাকৃতিক। তবে সার ব্যবহার ও খনির কারণে এর মাত্রা বেড়েছে। গবেষকরা বলছেন, অঞ্চলটিতে পানযোগ্য পানির মধ্যে আর্সেনিকের বিষাক্তা একটি বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান
/এফইউ/