পর্তুগালের সাবেক প্রধানমন্ত্রী আন্তোনিও গুটারেসকে জাতিসংঘের পরবর্তী মহাসচিব হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার তাকে নিয়োগ দেওয়ার ব্যাপারে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে সর্বসম্মতিক্রমে রায় দেয়। আগামী ১ জানুয়ারি বান কি-মুনের দ্বিতীয় দফায় পাঁচ বছরের মেয়াদ শেষ হলে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন গুটারেস।
এর আগে গত সপ্তাহে মোট ১৩ জন প্রার্থীর মধ্য থেকে তাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছিল।
১০ বছর জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআর পরিচালনা করেছেন গুটারেস। তিনি বলেন, সিরিয়ার যুদ্ধ শেষ করা আন্তর্জাতিক গোষ্ঠীগুলোর কাছে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। পৃথিবী অত্যন্ত ভয়াবহ সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। নিরাপদ ভবিষ্যতের জন্য সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে বলেও মনে করেন গুটারেস।
প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার ক্ষেত্রে প্রকৌশলী হলেও গুটারেস রাজনীতির অঙ্গনে প্রবেশ করেছেন অনেকদিন। পর্তুগালের প্রথম গণতান্ত্রিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৬ সালে, সে বছরই রাজনীতিতে আসেন গুটারেস। এ ছাড়াও ২০০৫ থেকে ২০১৫ পর্যন্ত বিশ্বের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় শরণার্থী সংকট মোকাবেলা করার সময় ইউএনএইচসিআরের দায়িত্বে ছিলেন ৬৭ বছর বয়সী গুটারেস।
তার নিয়োগ সম্পর্কে বান কি-মুন বলেন, ‘তিনি সম্ভবত সশস্ত্র সংঘাত ও মানবিক সংকট মোকাবেলার ক্ষেত্রে সবচেয়ে দক্ষ বলে পরিচিত। তার রাজনৈতিক অন্তর্দৃষ্টি সকলের কল্যাণে ও যৌথ দায়িত্ব পালনে কাজে আসবে।’
উল্লেখ্য, বান কি-মুনের পর জাতিসংঘের মহাসচিব হিসেবে কোন নারীকে নিয়োগ দেওয়ার কথা হলেও শেষ পর্যন্ত তা হয়ে ওঠেনি। প্রার্থীদের ১৩ জনের মধ্যে ৭ জনই ছিলেন নারী।
সূত্র: বিবিসি
/ইউআর/