উল্লেখ্য, রস সাগর এলাকার বাস্তুসংস্থানজনিত প্রক্রিয়াকে বিশ্বের সবচেয়ে আদিম সামুদ্রিক বাস্তুসংস্থান বলে বিবেচনা করা হয়ে থাকে। ৩৮ শতাংশ এডেলি পেঙ্গুইন, ৩০ শতাংশ অ্যান্টার্কটিক সামুদ্রিক পাখি এবং ৬ শতাংশ অ্যান্টার্কটিক তিমির আবাস সেখানে। তাছাড়া তিমি ও সীলের অন্যতম খাবার ক্রিলেরও ব্যাপক আবাস সেখানে।
রস সাগর এলাকাটিকে সুরক্ষিত সামুদ্রিক এলাকায় পরিণত করার প্রস্তাব দেয় নিউ জিল্যান্ড ও যুক্তরাষ্ট্র। পাঁচ বছর ধরে প্রস্তাবটি নিয়ে আলোচনা চললেও সবসময় তা কোনও অগ্রগতি ছাড়াই ভেস্তে গেছে। সর্বশেষ দুই সপ্তাহ আগে এ নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়। আর শুক্রবার সব দেশই প্রস্তাবটি বাস্তবায়নের ব্যাপারে সম্মতি দেয়। প্রস্তাবিত সামুদ্রিক এলাকা থেকে সামুদ্রিক প্রাণী কিংবা খনিজ উপকরণ সরানোর ওপর নিষেধাজ্ঞা থাকবে।
/এফইউ/