মিসর সফরে দেশটির প্রেসিডেন্ট জেনারেল আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসি এবং তিউনিশিয়া সফরে সেদেশের প্রেসিডেন্ট বেজি কাইদ ইসাবসি’র সঙ্গে সাক্ষাত করবেন মেরকেল।
উত্তর আফ্রিকা থেকে ইউরোপমুখী অভিবাসন প্রত্যাশীদের ঢল থামাতে দীর্ঘদিন ধরেই কাজ করছে জার্মানিসহ ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলো।
লিবিয়ায় ২০১১ সালে মোয়াম্মার গাদ্দাফি ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর থেকেই জাতীয় সরকার গঠন করা নিয়ে দেশটিতে চরম বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়। বিশৃঙ্খলার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ে লিবীয় নাগরিকদের ইউরোপমুখী হওয়ার প্রবণতা।
২০১৫ সাল থেকে এ পর্যন্ত ১০ লক্ষাধিক শরণার্থীকে আশ্রয় দিয়েছে জার্মানি। তবে বর্তমানে অভিবাসীদের সংখ্যা কমানোর ব্যাপারে নিজ দেশেই চাপের মুখে রয়েছেন মেরকেল।
সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ ও অভিবাসী প্রত্যাবাসন জোরদার করতে ইতোপূর্বে উত্তর আফ্রিকার দেশগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছিলেন মেরকেল। সূত্র: রয়টার্স।
/এমপি/