৪০০ শয্যার ওই সামরিক হাসপাতালটি আফগানিস্তানের সবচেয়ে উন্নত মানের হাসপাতাল। এটি কাবুলে মার্কিন দূতাবাসের পাশেই অবস্থিত। দ্য সরদার দাউদ খান নামের ৪০০ শয্যার হাসপাতালটিতে চিকিৎসক সেজে প্রবেশ করে এক আত্মঘাতী হামলাকারী। এরপর আরও তিন থেকে চারজন বন্দুকধারী সেখানে প্রবেশ করে গুলিবর্ষণ শুরু করে।
হাসপাতালের এক কর্মী জানান, তিনি এক বন্দুকধারীকে চিকিৎসকের পোশাক পরে এলোপাতাড়ি গুলি করে দুইজনকে হত্যা করতে দেখেছেন।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, কাবুলের বৃহত্তম সামরিক হাসপাতাল সর্দার দাউদ হাসপাতালে প্রথমে বোমার শব্দ শোনা যায়। এরপর শুরু হয় গুলির শব্দ। হামলাকারীরা চিকিৎসকের পোশাক পরে এলোপাতাড়ি গুলি ছুঁড়তে শুরু করলে প্রাণহানির ঘটনা ঘটে।
হামলাস্থল থেকে পালিয়ে আসা আব্দুল কাদের নামে একজন চিকিৎসক বলেন, আমি একজন আত্মঘাতী হামলাকারীকে গুলি ছুঁড়তে দেখে সিঁড়িতে লাফ দিয়ে নেমে যাই।
ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে হাসপাতালের এক কর্মী লিখেছেন, ‘আমরা হামলার শিকার। আমাদের উদ্ধার করুন।’ আফগান প্রেসিডেন্ট আশরাফ ঘানি এই হামলাকে মানবিক মূল্যবোধ বিবর্জিত বলে উল্লেখ করেছেন।
তিনি বলেন, ‘যেকোনও ধর্মেই হাসপাতালকে নিরাপদ ভাবা হয়। এই হামলা পুরো আফগানিস্তানে হামলার সমান।’
বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানায়, তিন থেকে পাঁচজন হামলাকারী অস্ত্র ও গ্রেনেড নিয়ে হাসপাতালে ঢুকে পড়ে। তারা তৃতীয় ও চতুর্থ তলায় দখল নিয়ে নেয়। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের একজন মুখপাত্র জানান, ‘হামলাকারীদের সংখ্যা এখনো নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি।’ সূত্র: আল জাজিরা, বিবিসি, সিএনএন।
/এমপি/