সারগোধা শহরের ডেপুটি কমিশনার (ডিসি) লিয়াকত আলী চাট্টা জানিয়েছেন, ‘মাজারের খাদেম আব্দুল ওয়াহিদ ও তার সহযোগীরা প্রথমে মুরিদদের নেশা জাতীয় কোনও বস্তু খাওয়ানো হয় এবং পরে চাপাতি ও লাঠি দিয়ে পিটিয়ে হত্যা করে।’
তিনি আরও জানান, তিন নারী ও এক পুরুষ আহত অবস্থায় পালিয়ে যেতে সক্ষম হন। তারাই হত্যাকাণ্ডের কথা পুলিশকে জানিয়েছেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ওয়াহিদ ও তার পাঁচ সহযোগীকে গ্রেফতার করে এবং নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে।
চাট্টা জানান, ওয়াহিদ নির্বাচন কমিশনে কাজ করেন। মাসে দুয়েকবার তিনি মাজারে যেতেন বলে জানা গেছে। ওয়াহিদের বিরুদ্ধে আগেও মুরিদদের নির্যাতনে অভিযোগ উঠেছিল।
অপর এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, নিহতরা পাঞ্জাবের বিভিন্ন জেলার বাসিন্দা। হত্যাকাণ্ডের সময় তাদের শরীরে কোনও কাপড় ছিল না। নিহতদের মরদেহ জেলা সদরের হাসপাতালে রাখা হয়েছে।
ওয়াহিদ ওই নিহতদের পিটিয়ে ‘পাপমুক্ত’ করছিল বলে পুলিশের কাছে দাবি করেছে। চাট্টা জানান, ওয়াহিদ সম্ভবত গুরুতর মানসিক অসুস্থতায় ভুগছেন। তবে স্থানীয় অধিবাসীরা তার মানসিক অসুস্থতার কথা অস্বীকার করেছে।
এই ঘটনায় পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী শাহবাজ শরীফ একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন। কমিটিকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।
/এসএ/