এফবিআই পরিচালক জেমস কোমিকে বরখাস্ত করার পেছনে তার নেতৃত্ব দেওয়ার অক্ষমতাকে কারণ হিসেবে হাজির করেছে ট্রাম্প প্রশাসন। তবে কোমির অপসারণের নেপথ্যে ট্রাম্পের রুশ সংযোগ আড়ালের প্রচেষ্টা থাকতে পারে বলে ধারণা করছেন কেউ কেউ।
কোনও কোনও ডেমোক্র্যাট নেতা বলছেন, কোমির বরখাস্ত হওয়ার নেপথ্যে ট্রাম্পের কেলেঙ্কারি আড়ালের প্রচেষ্টা রয়েছে। ট্রাম্পের রুশ সংযোগের দিকে ইঙ্গিত করে তারা এই ঘটনাকে ‘ওয়াটারগেট কেলেঙ্কারি’র সঙ্গে তুলনা করেছেন। যে বিশেষ তদন্তকারী ‘ওয়াটারগেট কেলেঙ্কারি’ তদন্ত করছিলেন, একরাতের সিদ্ধান্তে তাকে বরখাস্ত করেন নিক্সন। কোমির অপসারণকে ‘স্যাটারডে নাইট ম্যাসাকার’ নামে পরিচিত এই ঘটনার সঙ্গে তুলনা করেন তারা।
অনেক প্রভাবশালী রিপাবলিকান ও ট্রাম্প সমর্থকও একইভাবে ট্রাম্পের সিদ্ধান্তে রুশ সংযোগ আড়ালের প্রচেষ্টা দেখতে পাচ্ছেন। মিশিগানের রিপাবলিকান কংগ্রেসম্যান জাস্টিন আমাশ জানিয়েছেন, কোমি বরখাস্ত হওয়ার পর তিনি ট্রাম্পের রুশ সংযোগের ব্যাপারে স্বাধীন তদন্ত কমিশন গঠনের পক্ষে। এ সংক্রান্ত আইনি দিকগুলো খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
এদিকে সিনেটের ডেমোক্র্যাট নেতা চাক শুমার ট্রাম্পের বিরুদ্ধের রুশ সংযোগের অভিযোগ নিয়ে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়ে বলেন, ‘এখন জনগণের বিশ্বাস ফিরিয়ে আনতে একটাই পথ আছে, আর তা হলো নির্বাচনে রাশিয়ার ভূমিকা তদন্তে স্বাধীন তদন্ত শুরু করা।’
মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন এর একটি রিপোর্ট থেকে জানা যায়, রুশ সংযোগ নিয়ে সংশ্লিষ্টদের তলব করতে শুরু করেছে এফবিআই। তদন্তকাজ নতুন ধাপে পৌছে গেছে বলেও জানিয়েছে সিএনএন। ঠিক এই সময়েই কোমিকে অপসারণ করা হলো।
কোমির বরখাস্তের ব্যাপারে এখনও কোনও মন্তব্য করেননি ট্রাম্প।
সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান, বিবিসি, সিএনএন।
/এমএইচ/এসএ/