চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে চীনা রাষ্ট্রদূত মিংকিয়াং বলেন, ‘বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য অবকাঠামো উন্নয়নে সহায়তা করছে চীন। আমার বিশ্বাস এই অর্থের যথাযথ ব্যবহার আরও বেশি মানুষকে বাংলাদেশ-চীন সুসম্পর্কের সুবিধাভোগী করতে সক্ষম হবে।’
চুক্তির ব্যাপারে ইআরডি সচিব শফিকুল আজম বলেন, ‘চীন আর বাংলাদেশের মধ্যকার সম্পর্ক চমৎকার ও অভাবনীয়। এটি প্রকৃতপক্ষে বন্ধুত্বের প্রতীক। অদূর ভবিষ্যতে আরও একটি চুক্তি করতে পারব বলে আমরা আশা করছি।’
ইআরডি-এর এক বিবৃতিতে বলা হয়, চীনের সহায়তা যোগাযোগ খাতের পাশাপাশি দেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নের ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
১৯৮৬ সালের অক্টোবরে ৯১৭ মিটার দৈর্ঘ্যের প্রথম বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সেতুর নির্মাণ কাজ শুরু হয়ে ১৯৮৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে শেষ হয়। চীনের আর্থিক অনুদানে এরইমধ্যে ৭ম বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সেতু নির্মিত হয়েছে। বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলে কোচা নদীর ওপর নির্মাণাধীন আছে ৮ম মৈত্রী সেতু।
/এফইউ/বিএ/