কনজারভেটিভ পার্টিকে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে দ্য ডেমোক্রেটিক ইউনিয়ন্সিট পার্টি (ডিইউপি)। শনিবার ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয় ‘কনফিডেন্স এন্ড সাপ্লাই’ নীতিতে কনজারভেটিভদের সমর্থন দেবে তারা। সোমবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে দুই পক্ষের চুক্তি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হবে বলে জানা যায়।
ব্রিটিশ পার্লামেন্ট নির্বাচনে ৩১৮ টি আসন জিতেছে কনজারভেটিভরা। কিন্তু সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজন ৩২৬ টি আসন। ফলে ডিইউপির সঙ্গে জোট গঠন করতে চাইছে তারা। ডিউপি নির্বাচনে ১০টি আসন জিতেছে।
এর আগে শনিবার বেলফাস্টে তাদের সঙ্গে কথা বলতে যান কনজারভেটিভ নেতা গেভিন উইলিয়ামসন। বিবিসির প্রতিবেদনে জানা যায়, ‘কনফিডেন্স এন্ড সাপ্লা ‘ নীতি আসলে কোন জোট সরকার নয়। বরং এই চুক্তির মাধ্যমে বাজেটসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে সরকারকে সমর্থন দিবে ছোটদলগুলো।
সরকারের এক মুখপাত্র জানান, ‘আমরা এই প্রতিশ্রুতিকে স্বাগত জানাই। ব্রেক্সিট সহ অন্যান্য বিষয়ে যদি আমরা দেশে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে পারি তবে সেটা সত্যিই দারুণ হবে।'
থেরেসা মে’কে এই চুক্তির বিস্তারিত জানানোর আহ্বান জানিয়েছেন লিবারেল ডেমোক্রেট নেতা টিম ফ্যারন। তিনি বলেন, সরকারকে ব্রেক্সিটসহ ভবিষ্যৎ নির্ধারণী অন্য বিষয়ে পদক্ষেপের ব্যাখ্যা দিতে হবে। এরকম সংকটময় মুহূর্তে প্রধানমন্ত্রীর অবশ্যই সবকিছু পরিষ্কার করে বলা উচিত।
সিন ফেইন’র নেতা মিশেল ও’নিল বলেন, ডিইউডি নর্দান আ্য়ারল্যান্ডের জনগণের স্বার্থ ক্ষুণ্ন করেছেন। তিনি বলেন, তারা এর আগেও সরকারের সঙ্গে হাত মেলাতে গিয়ে জনগণের স্বার্থ দেখেনি। এটা তাদের নতুন চুক্তি এবং এর ফল ভালো হবে না।
যুক্তরাজ্যে ডিইউপি প্রো-ইউনিয়ন দল ও সামাজিকভাবে কনজারভেটিভ। ২০১৭ সালে নির্বাচনী ইশতেহারে বেশকিছু ব্যাপারে কনজারভেটিভ পার্টির সঙ্গে মিল ও অমিল পাওয়া যায়।
সূত্র:বিবিসি
/এমএইচ/বিএ/