ব্রিটিশ পার্লামেন্টে রানীর নির্ধারিত দিনের ভাষণ পেছানো সরকারের ভেতরকার ‘জটিলতা’র ইঙ্গিত, মন্তব্য করেছে লেবার পার্টি। দলের একজন মুখপাত্রকে উদ্ধৃত করে দ্য গার্ডিয়ান এই প্রতিক্রিয়ার খবর জানিয়েছে।
লেবার পার্টির ওই মুখপাত্র দলের পক্ষে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে ডিইউপিকে সমকাম ও নারী অধিকারের বিপক্ষের শক্তি আখ্যা দেন। তিনি মন্তব্য করেন, ওই দলের সঙ্গে আঁতাতের চেষ্টাতেও তারা যে সফল হতে পারেনি, রানীর ভাষণ পেছানো তারই ইঙ্গিত দেয়।
৮ জুন অনুষ্ঠিত নির্বাচনে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারানোর পর তুমুল চাপে রয়েছেন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ও কনজারভেটিভ নেতা থেরেসা মে। হাউস অব কমন্সে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিশ্চিতের জন্য কনজারভেটিভদের ডিইউপি’র এমপিদের সমর্থন প্রয়োজন। নির্বাচনে ডিইউপি পেয়েছে ১০টি আসন। একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিশ্চিতে কনজারভেটিভদের প্রয়োজন ৮টি আসন। আর তাই সমর্থন নিশ্চিতে দলটির সঙ্গে সম্ভাব্য চুক্তিতে পৌঁছানোর জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে ডাউনিং স্ট্রিট। ডিইউপির সঙ্গে দফায় দফায় চলছে বৈঠক।
শনিবার (১০ জুন) সন্ধ্যায় ডাউনিং স্ট্রিটের পক্ষ থেকে জানানো হয়, নীতিগতভাবে একটি চুক্তির ব্যাপারে দুই পক্ষ সম্মত হয়েছে। তবে ওইদিন রাতেই পাল্টে যায় পরিস্থিতি। দুই পক্ষের দেওয়া বিবৃতিতে বলা হয়, তাদের মধ্যকার চুক্তি চূড়ান্ত হয়নি। এখনও আলোচনা চলছে। সোমবার বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের খবরে আবারও সেই অনিশ্চয়তার কথা উঠে আসে। দলীয় বৈঠকে থেরেসা এমপিদের তোপের মুখে পড়তে যাচ্ছেন বলেও খবর জানানো হয়। এরই ধারাবাহিকতায় রানীর ভাষণ পেছানোর খবর জানা যায়।
/বিএ/