বিষয়টি নিয়ে জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিউএফপি)-এর একজন সিনিয়র কর্মকর্তার সঙ্গে কথা হয় বার্তা সংস্থা এএফপি’র। এই কর্মকর্তা জানান, আসন্ন সপ্তাহগুলোতেও বাংলাদেশমুখী এই জনস্রোত অব্যাহত থাকলে ব্যাপক খাদ্য ও অন্যান্য জরুরি সহায়তা দিতে আমরা প্রস্তুত রয়েছি। আগে থেকে বাংলাদেশে বসবাসরত তিন লাখ রোহিঙ্গার জন্যও কাজ করার পরিকল্পনা রয়েছে আমাদের। সেক্ষেত্রে ১০ লাখ মানুষ ডব্লিউএফপি’র সেবা পাবে। মানবিক সহায়তা থেকে কেউই বাদ যাবে না। তবে এজন্য আমাদের ৮০ মিলিয়ন ডলারের তহবিল দরকার।
বাংলাদেশে ডব্লিউএফপি’র উপপ্রধান দিপায়ন ভট্টাচার্য বলেন, জাতিসংঘের সবকটি সংস্থা একসঙ্গে সাত লাখ মানুষের জন্য একটি পরিকল্পনা তৈরি করছে। বাংলাদেশমুখী রোহিঙ্গাদের সংখ্যা সাত লাখে পৌঁছালেও আমরা পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে পারবো।
তিনি বলেন, শরণার্থী শিবিরগুলোতে বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি এবং অন্যান্য সংস্থার তৎপরতার ফলে ক্ষুধাজনিত পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে।
এর আগে গত ৯ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ জানায়, বাংলাদেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের শরণার্থীদের সহায়তা দিতে জাতিসংঘের মানবিক সহায়তা সংস্থাটির জরুরি ভিত্তিতে ৭৭ মিলিয়ন (৭ কোটি ৭০ লাখ) ডলার প্রয়োজন।