ফিলিস্তিনে মার্কিন সহায়তা বন্ধের হুমকিতে ইসরায়েলের বিপদের আশঙ্কা!

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ফিলিস্তিনে মানবিক সহায়তা বন্ধের হুমকি দেওয়ার পর এ নিয়ে ইসরায়েলে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। ডানপন্থী ইসরায়েলি সরকারের একজন মন্ত্রী একে স্বাগত জানালেও শান্তি প্রক্রিয়ার সাবেক একজন মধ্যস্থতাকারী এর বিপদ সম্পর্কে সতর্ক করেছেন। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে।
noname

মঙ্গলবারের টুইট বার্তায় ট্রাম্প দাবি করেন, 'ফিলিস্তিনে প্রতি বছর কোটি কোটি টাকার মানবিক সহায়তা দিই আমরা। বিনিময়ে আমরা তাদের কাছে কৃতজ্ঞতা কিংবা সম্মান কিছুই পাই না। ঝুলে থাকা বহুল প্রতীক্ষিত ইসরায়েল-ফিলিস্তিন ব্যাপারেও সাড়া দিতে চায় না তারা।'  

ইসরায়েলের সংস্কৃতি মন্ত্রী ও লিকুদ পার্টির সদস্য মিরি রেগেভ ট্রাম্পের মন্তব্যকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, ‘আমি খুব সন্তুষ্ট, … ট্রাম্পের বক্তব্যে বোঝা যায় তোষামুদি ছাড়ার সময় এসেছে।’

ট্রাম্প তার টুইট বার্তায় আরও বলেছেন, 'সমঝোতার সবচেয়ে কঠিন বিষয় জেরুজালেমকে আমরা আলোচনার টেবিলের বাইরে এনেছি, তা না হলে ইসরায়েলকে আরও বেশি মূল্য দিতে হতো। শান্তি আলোচনায় ফিলিস্তিনের কোনও আগ্রহ নেই দাবি করে তিনি প্রশ্ন তোলেন 'কেন তবে আমরা তাদের  এখনও তহবিল যুগিয়ে যাব?'

এদিকে ইসরায়েলের বিরোধী রাজনীতিক ও শান্তি প্রক্রিয়ায় সাবেক মধ্যস্থতাকারী তিজিপ লিভনি ট্রাম্পের হুমকির সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেন, ‘গাজায় মানবিক সংকট ঠেকানো ও জন্য ফিলিস্তিনি নিরাপত্তা বাহিনীর তহবিল যোগানোর মধ্যে ইসরায়েলের স্বার্থ আছে। যেকোনও দায়িত্বশীল সরকারেরই উচিত ট্রাম্পকে বিষয়টি বলা।’

হুমকির জবাবে দেওয়া এক বিবৃতিতে হানান আশরাবি বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প আমাদের শান্তি, স্বাধীনতা ও ন্যায়বিচারের আকাঙ্ক্ষাকে অপমান করেছেন। এখন নিজের দায়িত্ব-জ্ঞানহীন পদক্ষেপের জন্য পরিণতির জন্য ফিলিস্তিনিদের দোষারোপের সাহসও করছেন।’ ফিলিস্তিনি শরণার্থীদের সহায়তায় গঠিত জাতিসংঘের ত্রাণ সংস্থার তহবিলের একটা বড় অংশ আসে যুক্তরাষ্ট্র থেকে। ২০১৬ সালে ওই সংস্থায় দেওয়া মার্কিন সহায়তার পরিমাণ ছিল তিন হাজার কোটি টাকারও বেশি।