মাত্র দুই আসনে জয় পেয়েও মেঘালয় থেকে ‘কংগ্রেস হটাও’ প্রচেষ্টায় সফল হলো বিজেপি। রাজ্যে কংগ্রেসের ১০ বছরের শাসনের অবসান ঘটিয়ে মেঘালয়ের মসনদে বসলো বিজেপির সমর্থন পাওয়া ন্যাশনাল পিপল’স পার্টি (এনপিপি)। মঙ্গলবার মেঘালয়ের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছেন এনপিপি সভাপতি কনরাড সাংমা। এর মধ্য দিয়ে একক সংখ্যাগরিষ্ঠ দল হওয়ার পরেও মেঘালয়ও কংগ্রেসের হাতছাড়া হয়ে গেল।
ত্রিপুরা, নাগাল্যান্ডে বিজেপির সরকার গঠন নিশ্চিত হয়ে গেছে আরও আগেই। মেঘালয়ের দিকে নজর ছিল সবার। কারণ ৬০ আসনের মধ্যে সেখানে নির্বাচন হয়েছে ৫৯টিতে। একটি আসন ফাঁকা থাকায় ৫৯ আসনের বিধানসভায় সরকার গঠন নিশ্চিত করতে দরকার ছিল ৩০টি আসন। কংগ্রেস সংখ্যাগরিষ্ঠতা ধরে রাখলেও একক সরকার গঠন করার মতো আসন পায়নি। নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা থেকে ১০টি আসন কম ছিল কংগ্রেসের। তবে সমমনা দলগুলোর সমর্থন নিয়ে আবারও দলটি সরকার গঠন করতে পারে মনে করা হচ্ছিলো। বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী মুকুল সাংমাইকেই আবারও মুখ্যমন্ত্রী পদে বসানো হবে বলে ধারণা করা হচ্ছিলো। রবিবার পাল্টে যায় দৃশ্যপট। আর সেখানে বিজেপিকে দেখা যায় অন্যতম ক্রীড়নকের ভূমিকায়। বিজেপি নেতা হিমন্ত বিশ্ব শর্মা জানান, ‘কনরাডই মেঘালয়ের মুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন। এই সরকারে উপ-মুখ্যমন্ত্রীর পদে কেউ থাকবেন না। এখন আমাদের কাছে ৩৪ জন বিধায়কের সমর্থন আছে। এনপিপি-র ১৯,বিজেপি-র ২,ইউডিপি-র ৬,এইচএসপিডিপি-র ২,পিডিএফ-এর ৪ ও একজন নির্দল বিধায়ক জোট করেছেন। এই জোটে আরও কয়েকজন বিধায়ক যোগ দিতে পারেন।’
মঙ্গলবার রাজভবনে শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিং ও বিজেপি সভাপতি অমিত শাহ। এছাড়াও ছিলেন আসামের মুখ্যমন্ত্রী সর্বানন্দ সোনেওয়াল ও আসামের অর্থমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা।