‘বের হতে পারছিলাম না, হাত-পা আটকে গিয়েছিল’

সোমবার (১২ মার্চ) ত্রিভুবন বিমানবন্দরে বিধ্বস্ত হওয়া ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের বিমানটির যাত্রী ছিলেন নেপালি নাগরিক কেশব পান্ডে। অল্পের জন্য মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে আসা কেশব জানান, আগুনে জ্বলন্ত বিমানটি থেকে তিনি কিভাবে বের হয়ে এসেছেন তা তার মনে নেই।

উদ্ধার হওয়া এক মরদেহ গাড়িতে তোলা হচ্ছে
বিবিসি নেপালিকে কেশব পান্ডে বলেন, ‘দুর্ঘটনার পর আমি বিমান থেকে বের হয়ে আসার চেষ্টা করছিলাম। কারণ বিমানটিতে আগুন ধরে গিয়েছিল, কিন্তু আমি বের হতে পারছিলাম না। আমার হাত-পা আটকে গিয়েছিল। আমি জরুরি বহির্গমন দরজার পাশের একটি সিটে বসেছিলাম। সম্ভবত উদ্ধারকারীরা দরজা খোলার পর আমি বাইরে পড়ে যাই। এরপর আর কিছু মনে নেই। আমি অজ্ঞান ছিলাম।’

উল্লেখ্য,১২ মার্চ ৭১ আরোহী নিয়ে নেপালের ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের বিমানটি বিধ্বস্ত হয়। এ ঘটনায় এ পর্যন্ত ৫০ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত হওয়া গেছে। তবে দুর্ঘটনার ঠিক কারণ এখনও জানা যায়নি। নেপালের এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল টাওয়ার থেকে ভুল বার্তা প্রদানের কারণে এ দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে দাবি করেছে ইউএস বাংলা কর্তৃপক্ষ। আর ত্রিভুবন বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের পাল্টা দাবি, বিমানটি ভুল দিক থেকে অবতরণ করেছিল।