সু চির ঘনিষ্ঠ উইন মিন্ট মিয়ানমারের নতুন প্রেসিডেন্ট

উ থিন কিয়াওয়ের পদত্যাগের এক সপ্তাহের মাথায় মিয়ানমারের নতুন প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলেন উইন মিন্ট। ২০১২ সাল থেকে তিনি মিয়ানমার পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষে স্পিকারের দায়িত্ব পালন করছিলেন। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, নতুন প্রেসিডেন্টও রাষ্ট্রীয় উপদেষ্টা অং সান সু চির ঘনিষ্ঠজন।

উইন মিন্ট২১ মার্চ রোহিঙ্গাদের ওপর জাতিগত নিধনের কারণে মিয়ানমারকে আন্তর্জাতিকভাবে প্রশ্নের মুখোমুখি রেখে পদত্যাগ করেন দেশের প্রেসিডেন্ট উ থিন কিয়াও। দুই ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি ও রয়টার্সের খবরে তার কার্যালয় সূত্রে এই পদত্যাগের খবর নিশ্চিত করে।  তার কার্যালয়ের অফিসিয়াল ফেসবুক পোস্টের অস্বাক্ষরিত নোটিশে বলা হয়েছে, বিশ্রাম নেওয়ার স্বার্থেই তিনি পদত্যাগ করেছেন। বেশ কিছুদিন ধরেই তিনি অসুস্থ ছিলেন। হারিয়েছিলেন কাজের সক্ষমতা।
সু চির বহুদিনের বিশ্বস্ত বন্ধু উ থিন কিয়াওয়ের পদত্যাগের এক সপ্তাহের মাথায় মিয়ানমারের পার্লামেন্ট নতুন প্রেসিডেন্টকে নির্বাচিত করলো । বিবিসি জানিয়েছে, বুধবার তিন ভাইস প্রেসিডেন্টের শর্টলিস্ট থেকে পার্লামেন্ট উইনকে নির্বাচিত করে। গত সপ্তাহের শুরুর দিকে তাকে ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচিত করা হয়। তখন থেকেই ধারণা করা হচ্ছিলো তিনি প্রেসিডেন্ট হতে যাচ্ছেন।

মিয়ানমারে দীর্ঘ কয়েক দশকের সামরিক শাসন শেষ হওয়ার পর ২০১৬ সালের ঐতিহাসিক নির্বাচনের মাধ্যমে প্রেসিডেন্ট হয়েছিলেন থিন। তবে সর্বোচ্চ পদে থেকেও রাষ্ট্রীয় নীতিনির্ধারণে তিনি ছিলেন অনেকটাই দর্শকের ভূমিকায়। নেপথ্যে থাকলেও সেনাবাহিনীর সঙ্গে অং সাং সু চি-ই মিয়ানমারের সব নির্বাহী ক্ষমতা ভাগাভাগি করে থাকেন।

বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, থিন কিয়াওয়ের মতো উইনও সু চির ঘনিষ্ঠজন।