পাকিস্তানের আগামী সাধারণ নির্বাচনে সর্বোচ্চসংখ্যক নারী অংশগ্রহণ করতে যাচ্ছে। ২৭২টি সাধারণ আসনের মধ্যে ১৭১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে নারীরা। দেশটির ইতিহাসে যা একটি রেকর্ড। পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম দ্য ডনের এক প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা যায়।
এর আগে ২০১৪ সালে নারীপ্রার্থীর সংখ্যা ছিল ১৩৫। স্বতন্ত্র প্রার্থীই সেবার বেশি ছিল(৭৪ জন)। আর ৬১ জন পেয়েছিলেন দলীয় মনোনয়ন। ২০০৮ সালে নারী প্রার্থীর সংখ্যা ছিল মাত্র ৭২। দলীয় মনোনয়ন পেয়েছিলেন ৪১ জন এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী ছিলেন ৩১ জন।
মোট ১০৫ জন দলীয় প্রার্থী থেকে এবারের নির্বাচনে সর্বোচ্চ সংখ্যক নারী মনোনয়ন দিয়েছে পিপিপি। তাদের দল থেকে ১৯ জনকে মনোনয়ন দেওয়া হয়। এর মধ্যে পাঞ্জাবে ১১ জনকে, সিন্ধে পাঁচজনকে ও খাইবার পাখতুনে তিনজনে। মুত্তাহিদা মজলিস ই আমল থেকে ১৪ জন নারীকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। এরমধ্যে সাতজন পাঞ্জাব ও চারজন সিন্ধে। আর পাকিস্তান মুসলি লিগ ১১ জন নারীকে মনোনয়ন দিয়েছে।
পাঞ্জাবে স্বতন্ত্র নারী প্রার্থীর সংখ্যা ৪৪। এরমধ্যে রয়েছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরীফের মেয়ে মরিয়াম নওয়াজ, সুমাইরা মালিকা, বেগম তাহমিনা, আসমা আলমগীর, মেহরিন আনোয়ার রাজা।
সিন্ধে মোট নারী প্রার্থীর সংখ্যা ৪৬। খাইবার পাখতুনে ১৫ জন। পিটিআই থেকে সেখানে একজন নারীকেও মনোনয়ন দেওয়া হয়নি। বেলুচিস্তানে নির্বাচনে লড়বেন সাতজন নারী।