মুসলিম লিগের দাবি প্রত্যাখ্যান কমিশনের, বাড়ছে না ভোটগ্রহণের সময়সীমা

পাকিস্তানে চলমান সাধারণ নির্বাচনে ভোটগ্রহণের সময়সীমা বাড়াতে রাজি নয় দেশটির নির্বাচন কমিশন। ভোটগ্রহণের সময়সীমা এক ঘণ্টা বাড়াতে পাকিস্তান মুসলিম লিগ-নওয়াজ (পিএমএলএন) এর পক্ষ থেকে করা আবেদন খারিজ করে দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময় অনুযায়ী, সন্ধ্যা ৬টাতেই (বাংলাদেশ সময় ৭টা) ভোটগ্রহণ শেষ করা হবে বলে জানিয়ে দিয়েছে কমিশন। পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম ডনের এক প্রতিবেদন থেকে এ কথা জানা গেছে।

ভোটারদের লাইন
বুধবার (২৫ জুলাই) সকাল আটটায় পাকিস্তানের ১১ তম সাধারণ নির্বাচন ও চারটি প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হয়। নির্বাচন কমিশনের বেঁধে দেওয়া সময় অনুযায়ী সন্ধ্যা ছয়টা নাগাদ ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার কথা। তবে এ সময়সীমাকে পর্যাপ্ত মনে করছে না পিএমএল-এন। ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া ধীরগতিতে চলছে দাবি করে বুধবার এ সময়সীমা এক ঘণ্টা বাড়ানোর জন্য নির্বাচন কমিশনের কাছে লিখিত আবেদন জানায় তারা। লিখিত আবেদনে বলা হয়: ‘একদিকে ভোটারদের দীর্ঘ লাইন,অন্যদিকে একইসঙ্গে মাত্র তিন-চারজনকে ভোটকেন্দ্রে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে। এর মধ্য দিয়ে গরম ও আদ্র আবহাওয়ার মধ্যে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা ভোটারদের কেবল কষ্ট হচ্ছে তা নয়; প্রায় সবগুলো ভোটকেন্দ্রে ক্লান্তিকর,ধীর ও অসুবিধাজনক ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়ার কারণে অনেকে ভোট দেওয়া থেকে বঞ্চিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।’ তবে পিএমএলএন-এর আবেদনে সাড়া দেয়নি নির্বাচন কমিশন।

পাকিস্তানে এবার প্রত্যেক ভোটকেন্দ্রের ভেতরে ও বাইরে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে মোতায়েন করা হয় রেকর্ড সংখ্যক সেনা। দেশটির সংবাদমাধ্যম ডনের প্রতিবেদন থেকে জানা যায়,এবার নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সেনাবাহিনীর ৩ লাখ ৭১ হাজারের বেশি সেনা সদস্য এবং পুলিশ ও অন্যান্য বাহিনীর আরও সাড়ে ৪ লাখের বেশি সদস্য মোতায়েন করা হয়। এবারের নির্বাচনে ৩০টিরও বেশি দলের ১২ হাজার ৫৭০ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। পাকিস্তানে এবার নিবন্ধিত ভোটার সংখ্যা ১০ কোটি ৬০ লাখ। নির্বাচনে শীর্ষ তিনটি প্রতিদ্বন্দ্বী দল হলো-পাকিস্তান মুসলিম লিগ-নওয়াজ (পিএমএল-এন),পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) এবং পাকিস্তান পিপলস পার্টি (পিপিপি)।