ইউরোপে চলছে আরও একটি তাপপ্রবাহ। আর পূর্বাভাস বলছে, সর্বকালের রেকর্ড ভাঙতে পারে এবারের তাপমাত্রা। ইউরোপের আবহাওয়া সতর্কতা দেওয়া গ্রুপ মেটেওএলার্ম এরইমধ্যে বিপদজনক লাল সতর্কবার্তা জারি করেছে। ইউরোপে সবচেয়ে বেশি তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল ১৯৭৭ সালে গ্রীসের রাজধানী এথেন্সে ৪৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, আফ্রিকা থেকে বয়ে আসা গরম বাতাসের কারণে স্পেন ও পর্তুগালে তাপমাত্রা বেড়ে চলেছে।
পূর্বাভাস বলছে, কয়েকটি অঞ্চলে জাতীয় পর্যায়ের রেকর্ড ভেঙে তাপমাত্রা বাড়া অব্যাহত থাকতে পারে। এমনকি ভেঙে যেতে পারে ৪১ বছরের পুরনো ইউরোপীয় রেকর্ড। সর্বোচ্চ তাপমাত্রায় পর্তুগালের রেকর্ড ২০০৩ সালে ওঠা ৪৭ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস ও গত বছরের জুলাইতে স্পেনের তাপমাত্রা উঠেছিল ৪৭ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসে।
স্পেনের জাতীয় আবহাওয়া সেবা বিভাগ আগামী রবিবার পর্যন্ত দেওয়া সতর্কবার্তায় বলেছে, বিশেষ করে দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলীয় তাপপ্রবাহ চলতে পারে।
ইউরোপের আবহাওয়া সতর্কতা দেওয়া গ্রুপ মেটেওএলার্ম এরইমধ্যে বিপদজনক লাল সতর্কবার্তা জারি করেছে। পর্তুগালের দক্ষিণাঞ্চল ও স্পেনের বাদাজোজ প্রদেশের তাপপ্রবাহকে জীবনের প্রতি হুমকি বলে সতর্কবার্তা দিয়েছে গ্রুপটি।
মেটেওএলার্ম তাদের সতর্কবার্তায় বলেছে, শুক্র ও শনিবার সত্যিকার রেকর্ড ভাঙার আশঙ্কাসহ তীব্র গরমের দিন হতে যাচ্ছে। সপ্তাহের শেষ নাগাদ তাপমাত্রা রেকর্ড ভাঙতে পারে বলে সতর্কতা দিয়েছে তারা।
গ্রুপটি বলছে, এথেন্সের ৪৮ ডিগ্রি রেকর্ড ছোঁয়ার আশঙ্কা রয়েছে ৪০ শতাংশ আর ইউরোপীয় রেকর্ড ভেঙে নতুন রেকর্ডে পৌঁছানোর আশঙ্কা রয়েছে ২৫-৩০ শতাংশ।
ইতিমধ্যে তীব্র গরমের কারণে গ্রীসে দাবানলে প্রাণ হারিয়েছে অন্তত ৯০ জন। আর সুইডেনকেও বেশ কয়েকটি দাবানল সামাল দিতে হয়েছে। ইউরোপে দাবানলের ঘটনা নিয়মিত হলেও শুষ্ক আর গরম আবহাওয়া পরিস্থিতিকে আরও বিপদজনক করে তোলে।