বোরকা নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন সাবেক ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী বরিস জনসন। কনজারভেটিভ দলের নেতাকর্মী, চেয়ারম্যান ও স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী বিতর্কিত মন্তব্যের জন্য বরিসকে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানালেও তিনি জানিয়ে দিয়েছেন, ক্ষমা চাইবেন না।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য টেলিগ্রাফে লেখা এক নিবন্ধে নারীদের বোরকা নিয়ে ওই মন্তব্যের পর বিভিন্ন মুসলিম গ্রুপ, কয়েকজন কনজারভেটিভ এমপি এবং বিরোধী দলগুলোর সমালোচনার মুখে পড়েছেন লন্ডনের সাবেক মেয়র জনসন। বরিসের মন্তব্য প্রসঙ্গে বর্তমান পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যালিস্টার বার্ট বলেন, সরকার পোশাকের বিষয়ে কোনও বিধিনিষেধ আরোপ করবে না। বার্টের এই বক্তব্যের সঙ্গে একমত পোষণ করে কনজারভেটিভ পার্টির চেয়ারম্যান ব্রান্ডন লুইস তার টুইটারে লিখেছেন, আমি বরিস জনসনকে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।
কনজারভেটিভ পার্টি চেয়ারম্যানের পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে বরিসকে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানান। থেরেসা মে বলেন, বরিসের মন্তব্য ‘সুস্পষ্ট অবমাননা’। তবে বুধবার ক্ষমা চাওয়ার প্রস্তাব নাকচ করে দিয়েছেন জনসন। তার ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র জানিয়েছে, তার মন্তব্যকে ঘিরে জন্ম নেওয়া সমালোচনাকে ‘হাস্যকর’ আখ্যা দিয়েছেন জনসন।
টেলিগ্রাফের ওই নিবন্ধে তিনি লিখেন, নিকাব নিষিদ্ধ করার কথা না বললেও একে ‘হাস্যকর’ আখ্যা দেন। তবে কনজারভেটিভ মুসলিম ফোরামের একজন প্রতিষ্ঠাতা সদস্য বলছেন, জনসনের এই মন্তব্য কমিউনিটির মধ্যকার সম্পর্ককে হুমকির মুখে ফেলবে।