প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নেওয়ার অপেক্ষায় থাকা ইমরান খানকে ‘অশালীন ভাষা’ প্রয়োগের অভিযোগ থেকে ইমরানকে নিষ্কৃতি দিলো সে দেশের নির্বাচন কমিশন। প্রচারাভিযানের সময় অশালীন ভাষা ব্যবহারের দায়ে ইমরানসহ অন্য তিন রাজনীতিক হলেন মাওলানা ফজলুর রেহমান, সরদার আয়াজ সাদিক এবং পারভেজ খাত্তাককে অভিযুক্ত করে কমিশন। বাকী তিনজনকেও অভিযোগ থেকে নিষ্কৃতি দেওয়া হলেও ইমরানসহ প্রত্যেককেই অভিষ্যতে এমন আচরণ থেকে বিরত থাকার ব্যাপারে সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার পাকিস্তানের প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) অবসরপ্রাপ্ত বিচারক সরদার মুহাম্মাদ রাজা তার সংক্ষিপ্ত রায়ে ইমরানসহ অভিযুক্ত চার রাজনীতিককে ভবিষ্যতে অশালীন মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকার ব্যাপারে সতর্ক করে দিয়েছেন। এ ঘটনায় এরইমধ্যে ক্ষমা চেয়েছেন পিটিআই নেতা ইমরান খান, সাবেক স্পিকার সরদার আয়াজ সাদিক এবং খাইবার পাখতুনখাওয়ার মুখ্যমন্ত্রী পারভেজ খাত্তাক। জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম নেতা মাওলানা ফজলুর রেহমানও ক্ষমা চেয়েছেন।
গত মাসে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে এ ব্যাপারে তাদের নোটিস পাঠানো হয়েছিল। এতে ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ায় প্রচারিত অন্য নেতাদের বিরুদ্ধে তাদের ব্যবহৃত অপ্রীতিকর ও অসম্মানজনক বক্তব্যের কথা উল্লেখ করা হয়। এর বাইরে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমেও এসব বক্তব্য প্রচারিত হয়। তবে এই ধরনের বক্তব্য নির্বাচনি আচরণবিধির স্পষ্ট লঙ্ঘন।
ইমরানের বিরুদ্ধে অভিযোগ, লন্ডন থেকে দেশে ফেরা সাবেক প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফকে যারা স্বাগত জানিয়েছেন তাদের তিনি ‘গাধা’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। ইমরান খানের কাউন্সেলর বাবর আওয়ান নির্বাচন কমিশনের কাছে দাবি করেন, পাকিস্তানে ‘গাধা’ একটি সাধারণ শব্দ যা শিক্ষকরা তাদের ছাত্রদের জন্য ব্যবহার করে থাকেন।