সুইজারল্যান্ডে অভিবাসন কর্মকর্তাদের সঙ্গে করমর্দন করতে অস্বীকৃতি জানানোয় এক মুসলিম দম্পতির নাগরিকত্বের আবেদন নাকচ করে দেওয়া হয়েছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে একথা বলা হয়।
কিছুদিন আগে দেশটিতে এক মুসলিম নারীও চাকরির সাক্ষাতকারে করমর্দন করতে চাননি। এতে তার চাকরি বাতিল হয়ে যাওয়াতে মামলা করেছিলেন এবং ক্ষতিপূরণ পেয়েছিলেন।
সুইজারল্যান্ডের কর্মকর্তারা বলছেন, সম্ভাব্য নাগরিকদের অবশ্যই সুইস রীতিনীতির সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে হবে এবং সুইজারল্যান্ডের আইনের প্রতি শ্রদ্ধা থাকতে হবে। যদিও ওই দম্পতির বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হয়নি। তবে স্থানীয় গণমাধ্যমে বলা হচ্ছে, ওই দম্পতি উত্তর আফ্রিকা থেকে এসেছেন।
ওই দম্পতির কাছে তাদের ধর্মের বিষয়ে কিছু জানতে চাওয়া হয়নি বলে কর্তৃপক্ষ বলছেন। তবে তাদের দাবি, ধর্মের কারণে তাদের নাগরিকত্বের আবেদন নাকচ করা হয়নি। সেটা করা হয়েছে লিঙ্গ সমতায় তাদের বিশ্বাসের অভাবের কারণে।
সুইজারল্যান্ডে করমর্দন নিয়ে বিতর্ক এবারই প্রথম ন। এর আগে ২০১৬ সালে একটি সুইস স্কুলের নারী শিক্ষকের সঙ্গে অপ্রাপ্তবয়স্ক মুসলিম দুই ভাই হাত মেলাতে রাজি না হওয়ায় পুরো পরিবারটির অভিবাসন প্রক্রিয়া স্থগিত করা হয় যা তখন বিতর্ক তৈরি করেছিল।
প্রতিবেশী ফ্রান্সে একজন আলজেরীয় নারীর অভিবাসন আবেদন বাতিল করা হয়, কারণ অভিবাসী সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি একজন কর্মকর্তার সঙ্গে হাত মেলাতে অসম্মতি জানিয়েছিলেন।