উত্তর এশিয়ার দেশ জাপান এবং জাপান এবং দক্ষিণ কোরিয়ায় বৃহস্পতিবার আঘাত হানতে পারে শক্তিশালী দুটি টাইফুন। পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগর এলাকায় চলতি মৌসুমে সৃষ্ট ২০ ও ২১তম টাইফুন দুটিকে সৌলিক ও সিমারোন নামে ডাকা হচ্ছে। তীব্র এই ঝড় দুটি এখনও শক্তি সঞ্চয় করে উত্তর অভিমুখে এগুচ্ছে।
আশঙ্কা করা হচ্ছে টাইফুন সৌলিক জাপানের দক্ষিণাঞ্চলীয় কিয়োসু দ্বীপের প্রান্ত দিয়ে কোরীয় উপদ্বীপে পৌঁছাবে। পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, উপকূলে আছড়ে পড়ার সময় এর বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ২০০ কিলোমিটারে পৌঁছাতে পারে। ঝড়ের সময় তীব্র বৃষ্টিপাতে কারণে বন্যা ও জলোচ্ছ্বাসের আশঙ্কাও রয়েছে।
পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, দক্ষিণ কোরিয়ায় আঘাত হেনে উত্তর কোরিয়া অভিমুখে যাওয়ার পর আস্তে আস্তে দুর্বল হতে পারে টাইফুন সৌলিক। সীমিত সম্পদ ও বৈদেশিক নিষেধাজ্ঞায় দুর্বল অর্থনীতির দেশ উত্তর কোরিয়াতেই এই ঝড় সর্বোচ্চ ক্ষতি করতে পারে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
এছাড়া সিমারোন নামের অপর টাইফুনটি গত ২৪ ঘণ্টায় সৃষ্টি হয়েছে। বর্তমানে মৌসুমী ঝড় হিসেবে বাড়তে থাকা সিমারোনে বাতাসের গতিবেগ ঘন্টায় ৯০ কিলোমিটার। উপকূলে পৌঁচানোর সময়ে তা ১৬৫ কিলোমিটারে পৌঁছাবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। জাপানের মধ্যাঞ্চলীয় হংশুতে আছড়ে পড়ার সময়ে এটিও প্রচুর বৃষ্টিপাত ঘটাবে। পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে, হংশুর দক্ষিণাঞ্চলীয় এলাকায় চরম আবহাওয়া বিরাজ করতে পারে। এছাড়া এতে পার্বত্য এলাকায় আকস্মিক বন্যাও আসতে পারে বলে সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে।
চলতি বছরে বেশ কয়েকবার চর আবহাওয়া মোকাবিলা করেছে। জুনে আকস্মিক বন্যায় হাজার হাজার ঘরবাড়ি ধ্বংসের পর গত মাসে তীব্র তাপদাহের কবলে পড়ে। এরপরই এসেছে এই ঝড়ের পূর্বাভাস।