অনেক অধিকারকর্মীরা আশা করছেন, আদালত তার পূর্বাবস্থান থেকে ফিরে আসবেন। তারা বলে আসছেন, সমকামী হওয়ার কারণে ভারতে অনেকে হয়রানির শিকার হন।
গত আগস্টে আদালত জানিয়েছিলো কারও যৌন চাহিদার ওপর ভিত্তি করে আলাদা করাটা তার বিরুদ্ধে সম্মানহানি ও বৈষম্য।
২০০৯ সালে দিল্লি হাইকোর্ট ৩৭৭ ধারা থেকে অপরাধ-কে নিমূর্ল করার পক্ষে রায় দেয়। কিন্তু ২০১৩ সালে সুরেশকুমার কৌশল বনাম নাজ ফাউন্ডেশনের মামলায় সুপ্রিম কোর্ট এই রায়ে স্থগিতাদেশ দেয়। চলতি বছরের মে মাসে ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজির এলজিবিটি-দের প্রাক্তনীদের অ্যাসোসিয়েশন ৩৭৭ বাতিল করতে মামলা করে। অবশ্য এর আগেই ২৭এপ্রিল হামসফর ট্রাস্টের অশোক রাও কাভি এবং আরিফ জাফর ৩৭৭ ধারা-র বিরুদ্ধে আদালতে আবেদন করেছিলেন
বৃহস্পতিবারের রায় দেওয়ার ক্ষেত্রে পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট বিচারক বেঞ্চের নেতৃত্ব দেবেন দেশটির বিদায়ী প্রধান বিচারপতি দিপক মিশরা।