ভিডিও চিত্রে ইন্দোনেশিয়ার ভয়াবহ সুনামি

ইন্দোনেশিয়ায় শুক্রবারের শক্তিশালী ভূমিকম্পের পরপরই সুনামির সতর্কতা জারি করা হয়েছিল। পরে এক ঘণ্টার মধ্যেই তা প্রত্যাহার করা হয়। সতর্কতা প্রত্যাহারের পরই সুনামি আছড়ে পড়ে। এর তাণ্ডবে ভেঙে পড়ে উপদ্রুত এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা, বন্ধ হয়ে যায় স্থানীয় বিমানবন্দর। মার্কিন জিওলজিক্যাল সার্ভে প্রথমে জানিয়েছিল, কম্পনের মাত্রা ৭ দশমিক ৭। তবে পরে জানানো হয়, রিখটার স্কেলে ৭ দশমিক ৫ মাত্রার কম্পন ধরা পড়েছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ইন্দোনেশিয়ার পাশাপাশি জাপানেও জারি করা হয় সুনামি সতর্কতা। এখন প্রায় ৪০০ মানুষের মরদেহকে পেছনে রেখে হন্যে হয়ে জীবনের খোঁজে উদ্ধার তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে ইন্দোনেশিয়া।

noname২৮ সেপ্টেম্বর শুক্রবার স্থানীয় সময় শুক্রবার বিকাল ৫ টার দিকে সুলাবেসি দ্বীপে ৭ দশমিক ৫ মাত্রার ওই ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। এর আগে অঞ্চলটিতে মাঝারি মাত্রার আরেকটি ভূমিকম্প অনুভূত হয়। দ্বিতীয় কম্পনের পর শুরু হয় সুনামির ভয়াবহতা। সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, লোকজন চিৎকার করছে। আতঙ্কে ঘরবাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যাচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বহু স্থাপনা। ভূমিকম্প-সুনামির তাণ্ডবে লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে বহু ঘরবাড়ি। উপদ্রুত এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ায় ব্যাহত হচ্ছে উদ্ধার কার্যক্রম। শুক্রবারের ভূমিকম্প ও সুনামির পর শনিবার সকালেও উপকূলীয় পর্যটন এলাকায় ৯ দশমিক ৮ ফুট পর্যন্ত উঁচু ঢেউ দেখা গেছে।
মালয়েশিয়ার সর্বাধিক প্রচারিত ইংরেজি দৈনিক দ্য স্টারের অনলাইন ভার্সনে ইন্দোনেশিয়ার সুনামির ভিডিও চিত্র তুলে ধরা হয়েছে: 
ভূমিকম্পপ্রবণ দেশগুলির মধ্যে প্রথম সারিতেই ইন্দোনেশিয়ায় অবস্থান। ২০১৮ সালের ৫ আগস্ট দেশটির লম্বক দ্বীপে শক্তিশালী এক ভূমিকম্পে ৪৬০ জনেরও বেশি মানুষের প্রাণহানি ঘটে। ২০০৪ সালের প্রলয়ঙ্করী ভূমিকম্পের জেরে সুনামি আছড়ে পড়ে অন্তত ১৩টি দেশে। ওই সুনামিতে উপদ্রুত দেশগুলোতে দুই লাখেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। এর মধ্যে শুধু ইন্দোনেশিয়াতেই মৃতের সংখ্যা ছিল এক লাখ ২০ হাজার।