ইউক্রেনে ৩০ দিনের জন্য সামরিক শাসন

ইউক্রেনে ৩০ দিনের জন্য সামরিক শাসন জারির অনুমোদন দিয়েছে দেশটির পার্লামেন্ট। এর আগে দেশটির প্রেসিডেন্ট সামরিক শাসন জারির ঘোষণা দিয়েছিলেন। তুর্কি বার্তা সংস্থা আনাদোলু এজেন্সির এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা যায়।

thumbs_b_c_50a1c73125c14cc99e0f3d45c05a08bc

রবিবার ইউক্রেনের তিনটি সামরিক জাহাজ লক্ষ্য করে গুলি চালিয়েছে রাশিয়া। পরে জাহাজগুলো জব্দ করে রাখা হয়েছে। এ নিয়ে দুই দেশের মধ্যে আবারো উত্তেজনা শুরু হয়েছে। এরই মধ্যে সেনাশাসন জারির উদ্যোগ নেওয়া হয়। সোমবার সন্ধ্যায় ইউক্রেনের পার্লামেন্টে প্রেসিডেন্টের এই আদেশের ব্যাপারে বিতর্ক হয়। এর আগে টেলিভিশনে সম্প্রচারিত সংসদীয় কমিটির এক বৈঠকে আদেশটিকে সর্বসম্মতভাবে সমর্থন জানানো হয়েছে।

মূলত রাশিয়ার কাছ থেকে নিজেদের রক্ষায় এই শাসন জারি করেছে তারা। মোট ২৭৬ জন সংসদ সদস্য এই রায়ের পক্ষে মত দেয়। আগামী ২৮ নভেম্বর থেকে কার্যকর হবে সামরিক শাসন।

রাশিয়ার দাবি, তাদের নির্দেশনা অনুযায়ী ইউক্রেনের জাহাজগুলো কাজ করেনি। ফলে সামরিক উত্তেজনা তৈরি হয়। আর ইউক্রেনের অভিযোগ, রুশ জাহাজ তাদের দিকে গুলি ছুড়েছে। এতে আহতও হয়েছেন কয়েকজন কর্মী।

ইউক্রেনে আগামী মার্চ মাসে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন হওয়ার কথা রয়েছে। তবে এই আদেশে সে বিষয়ে কোনও কিছুই বলা হয়নি। তাই পোরোশেনকোর এই পদক্ষেপে সমালোচক ও বিরোধীরা অভিযোগ করছেন, নির্বাচন বিলম্বিত করার জন্য প্রেসিডেন্ট সেনা শাসনকে ব্যবহার করছেন।

২০১৪ সাল থেকে ক্রিমিয়া দ্বীপ দখল নিয়ে রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে।