পক্ষত্যাগী প্রায় এক হাজার উত্তর কোরীয় নাগরিকের ব্যক্তিগত তথ্য চুরি হয়েছে। দক্ষিণ কোরিয়ার একটি পুনর্বাসন কেন্দ্রের কম্পিউটার হ্যাক হওয়ার পর ফাঁস হয় গোপনীয় তথ্যগুলো। এতো ব্যাপকভাবে উত্তর কোরীয় পক্ষত্যাগীদের তথ্য ফাঁসের ঘটনা এটাই প্রথম বলে মনে করা হচ্ছে। দক্ষিণ কোরিয়ার একত্রীকরণ মন্ত্রণালয়কে উদ্ধৃত করে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি এসব কথা জানিয়েছে। হ্যাকারদের পরিচয় এবং এ সাইবার হামলার উৎসস্থল সম্পর্কে এখনও জানা যায়নি।
কোরীয় যুদ্ধের পর থেকে এ পর্যন্ত ৩২ হাজার উত্তর কোরীয় নাগরিক পক্ষ ত্যাগ করে দক্ষিণ কোরিয়ায় পালিয়েছেন। এসব মানুষ যেন দক্ষিণ কোরিয়ায় নিজেদেরকে খাপ খাইয়ে নিতে পারেন তা নিশ্চিত করতে সেদেশে ২৫টি প্রতিষ্ঠান কাজ করছে। দক্ষিণ কোরিয়ার একত্রীকরণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে এ প্রতিষ্ঠানগুলো পরিচালিত হয়। এসব প্রতিষ্ঠানের একটি হলো নর্থ জিয়ংসাং পুনর্বাসন কেন্দ্র। গত ১৯ ডিসেম্বর সেখানকার একটি ব্যক্তিগত কম্পিউটারে ‘ক্ষতিকর কোড’ শনাক্ত করে কর্তৃপক্ষ। এরপর তারা জানতে পারে, পক্ষত্যাগী উত্তর কোরীয় নাগরিকদের ব্যক্তিগত তথ্য ফাঁস হয়েছে। এ পর্যন্ত ৯৯৭ জন উত্তর কোরীয় দেশত্যাগী জানিয়েছে, তাদের নাম, জন্ম তারিখ ও ঠিকানা ফাঁস হয়ে গেছে।
পক্ষত্যাগী সব নাগরিকের পরিচয় জানে না উত্তর কোরীয় সরকার। দেশত্যাগীদের কাউকে কাউকে ‘নিখোঁজ’ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। আবার কারও কারও নাম নিবন্ধিত হয়েছে মৃত হিসেবে। পক্ষত্যাগীদের তথ্য ফাঁসের এ ঘটনার প্রভাব কী হবে সে ব্যাপারে স্পষ্ট হওয়া যায়নি। বিশ্লেষকরা বলছেন, পক্ষত্যাগীদের পরিবারের সদস্যদের মধ্যে যারা উত্তর কোরিয়ায় আছেন তাদের ওপর এ তথ্য ফাঁসের ঘটনাটি বিপদ ডেকে আনতে পারে বলে আশঙ্কা রয়েছে।
উত্তর কোরীয়ে পক্ষত্যাগীদের সহায়তায় কাজ করে আন্তর্জাতিক এনজিও লিবার্টি ইন নর্থ কোরিয়া। এর কান্ট্রি ডিরেক্টর সোকিল পার্ক মনে করেন, এ হ্যাকের কারণে অন্য উত্তর কোরীয় পক্ষত্যাগীরা দক্ষিণ কোরিয়ায় বসবাসকে কম নিরাপদ ভাবতে পারেন। তারা তাদের নাম, ফোন নাম্বার ও বাড়ির ঠিকানা পরিবর্তন করে ফেলতে পারেন।
বিবিসির প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, দক্ষিণ কোরিয়ার একত্রীকরণ মন্ত্রণালয় ও পুলিশ যৌথভাবে এ ফাঁসের ঘটনায় তদন্ত করছে। এ ধরনের সাইবার হামলা যেন আর না হয় তা নিশ্চিতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে মন্ত্রণালয়টি।
পক্ষত্যাগী প্রায় এক হাজার উত্তর কোরীয় নাগরিকের ব্যক্তিগত তথ্য ফাঁস হয়ে গেছে। দক্ষিণ কোরিয়ার একটি পুনর্বাসন কেন্দ্রের কম্পিউটার হ্যাক হওয়ার পর ফাঁস হয় গোপনীয় তথ্যগুলো। এতো ব্যাপকভাবে উত্তর কোরীয় স্বদেশত্যাগীদের তথ্য ফাঁসের ঘটনা এটাই প্রথম বলে মনে করা হচ্ছে। দক্ষিণ কোরিয়ার একত্রীকরণ মন্ত্রণালয়কে উদ্ধৃত করে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি এসব কথা জানিয়েছে। হ্যাকারদের পরিচয় এবং এ সাইবার হামলার উৎসস্থল সম্পর্কে এখনও জানা যায়নি।
কোরীয় যুদ্ধের পর থেকে এ পর্যন্ত ৩২ হাজার উত্তর কোরীয় নাগরিক পক্ষ ত্যাগ করে দক্ষিণ কোরিয়ায় পালিয়েছেন। এসব মানুষ যেন দক্ষিণ কোরিয়ায় নিজেদেরকে খাপ খাইয়ে নিতে পারেন তা নিশ্চিত করতে সেদেশে ২৫টি প্রতিষ্ঠান কাজ করছে। দক্ষিণ কোরিয়ার একত্রীকরণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে এ প্রতিষ্ঠানগুলো পরিচালিত হয়। এসব প্রতিষ্ঠানের একটি হলো নর্থ জিয়ংসাং পুনর্বাসন কেন্দ্র। গত ১৯ ডিসেম্বর সেখানকার একটি ব্যক্তিগত কম্পিউটারে ‘ক্ষতিকর কোড’ শনাক্ত করে কর্তৃপক্ষ। এরপর তারা জানতে পারে, পক্ষত্যাগী উত্তর কোরীয় নাগরিকদের ব্যক্তিগত তথ্য ফাঁস হয়েছে। এ পর্যন্ত ৯৯৭ জন উত্তর কোরীয় দেশত্যাগী জানিয়েছে, তাদের নাম, জন্ম তারিখ ও ঠিকানা ফাঁস হয়ে গেছে।
পক্ষত্যাগী সব নাগরিকের পরিচয় জানে না উত্তর কোরীয় সরকার। দেশত্যাগীদের কাউকে কাউকে ‘নিখোঁজ’ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। আবার কারও কারও নাম নিবন্ধিত হয়েছে মৃত হিসেবে। পক্ষত্যাগীদের তথ্য ফাঁসের এ ঘটনার প্রভাব কী হবে সে ব্যাপারে স্পষ্ট হওয়া যায়নি। বিশ্লেষকরা বলছেন, পক্ষত্যাগীদের পরিবারের সদস্যদের মধ্যে যারা উত্তর কোরিয়ায় আছেন তাদের ওপর এ তথ্য ফাঁসের ঘটনাটি বিপদ ডেকে আনতে পারে বলে আশঙ্কা রয়েছে।
উত্তর কোরীয়ে পক্ষত্যাগীদের সহায়তায় কাজ করে আন্তর্জাতিক এনজিও লিবার্টি ইন নর্থ কোরিয়া। এর কান্ট্রি ডিরেক্টর সোকিল পার্ক মনে করেন, এ হ্যাকের কারণে অন্য উত্তর কোরীয় পক্ষত্যাগীরা দক্ষিণ কোরিয়ায় বসবাসকে কম নিরাপদ ভাবতে পারেন। তারা তাদের নাম, ফোন নাম্বার ও বাড়ির ঠিকানা পরিবর্তন করে ফেলতে পারেন।
বিবিসির প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, দক্ষিণ কোরিয়ার একত্রীকরণ মন্ত্রণালয় ও পুলিশ যৌথভাবে এ ফাঁসের ঘটনায় তদন্ত করছে। এ ধরনের সাইবার হামলা যেন আর না হয় তা নিশ্চিতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে মন্ত্রণালয়টি।