অনুমতি ছাড়া রাখাইন ছেড়ে অন্যত্র ভ্রমণ করায় ২৭ রোহিঙ্গাকে আটক করেছে মিয়ানমার পুলিশ। গত ১৯ ও ২০ জানুয়ারি আটক করা কাগজপত্রহীন এসব রোহিঙ্গারা ইয়াঙ্গুন হয়ে মালয়েশিয়া যাওয়ার পরিকল্পনা করছিল বলে জানিয়েছে পুলিশ। অভিবাসন আইন অনুযায়ী তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির সংবাদমাধ্যম দ্য ইরাবতী।
গত ১৯ জানুয়ারি ইয়াঙ্গুন-মান্দালয় মহাসড়কের ১৩ নম্বর মাইল পোস্টের কাছে একটি যানবহন থেকে আটক করা হয় ১২ রোহিঙ্গাকে। পুলিশ জানিয়েছে তাদের ১০ জন পুরুষ ও দুই নারী। এদের পাঁচজন মিনবিয়া উপশহর এলাকার পিক থায় গ্রামের আর বাকিরা কিয়াকতা্ও উপশহরের থান তং গ্রামের বাসিন্দা। তাদের নিয়ে ভ্রমণে সহায়তা করায় ইয়াঙ্গুনের পাজুনডং উপশহর এলাকার বাসিন্দা কো খিন মং উইন নামে একজনকে আটক করেছে পুলিশ। তার বিরুদ্ধেও মামলা দায়ের করা হয়েছে।
পরের দিন মাগওয়ে এলাকায় মিন্দন-থায়েট সড়ক থেকে আরও ১৫ জনকে আটক করা হয়। এদের পাঁচজন সিত্তি এলাকার আর বাকি দশজন কিয়াকতা্ও এলকার বাসিন্দা। মঙ্গলবার তাদের আদালতে হাজির করা হয় জানিয়ে পুলিশ বলেছে, তাদের ভ্রমণে সহায়তা করায় মিয়ানমারের ছয় নাগরিককে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
‘তারা (আটক রোহিঙ্গারা) ইয়াঙ্গুনে যেতে চাওয়ার কথা বলছে। এছাড়া তাদের পরিকল্পনা ছিল মাইয়াওয়াদী গিয়ে সেখান থেকে মালয়েশিয়া যাওয়ার,’ বলেছেন হাইওয়ে পুলিশের মেজর মং জার্নি।
গত ১২ ডিসেম্বর শান প্রদেশের একটি টোল প্লাজার কাছ থেকে আটক করা হয় আরও ১৫ রোহিঙ্গাকে। তারা চীনের রুইলিতে যাচ্ছিল বলে জানিয়েছে দেশটির পুলিশ। তাদের নিয়ে যাওয়ায় আটক করা হয় মিয়ানমারের দুই নাগরিককে। এছাড়া গত বছরের নভেম্বরে ইয়াঙ্গুনের কিয়াআকতান উপশহর থেকে আরও ১০৫ রোহিঙ্গাকে আটক করা হয়। ওই মাসেই তানিনথারির লংলোন উপশহর থেকে আরও ৯৩ রোহিঙ্গকের আটক করা হয়। তদন্ত শেষে তাদের রাখাইনে ফেরত পাঠায় মিয়ারমারের নৌবাহিনী।