কাশ্মিরে নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর গ্রেনেড হামলা, পাকিস্তানকে দুষছে ভারত

জম্মু-কাশ্মিরের রাজধানী শ্রীনগরে ভারতীয় আধা-সামরিক বাহিনী-সিআরপিএফ সদস্যদের লক্ষ্য করে চালানো গ্রেনেড হামলায় অন্তত ছয়জন আহত হয়েছেন। দীপাবলির আগের দিন শনিবার এই হামলা চালানো হয়। ভারতীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দাবি, পাকিস্তানের মদদপুষ্ট জঙ্গিরাই এই হামলা চালিয়েছে।  

4df2167ddf14c86190a1406da4f9592f-5da1d54bf0d42

 

২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে দক্ষিণ কাশ্মিরে সিআরপিএফ-এর বহরে আত্মঘাতী হামলা চালানো হয়। ওই হামলায় ভারতীয় বাহিনীর ৪০ সদস্য নিহত হয়। পাকিস্তানভিত্তিক জঙ্গিগোষ্ঠী জইশ-ই-মোহম্মদ ওই হামলার দায় স্বীকার করে। হামলার কয়েকদিনের মাথায় পাকিস্তানের অভ্যন্তরে বালাকোটে হামলা চালায় ভারতীয় বিমান বাহিনী। পরবর্তীতে দুই দেশের পাল্টাপাল্টি হামলায় যুদ্ধ পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়।

দিল্লির দাবি, পাকিস্তানি মদদপুষ্ট জঙ্গিরাই কাশ্মিরে সন্ত্রাসী তৎপরতা চালায়। আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও তারা এই দাবি প্রতিষ্ঠা করতে সমর্থ হয়েছে। এ বছর  আগস্টে ৩৭০ অনুচ্ছেদ বাতিলের মধ্য দিয়ে কাশ্মিরের স্বায়ত্তশাসন বাতিল করে অঞ্চলটিকে দুই টুকরো করে দেয় দিল্লি। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী  ৩১ অক্টোবর জম্মু-কাশ্মির ও লাদাখ পৃথক দুই অঞ্চল হিসেবে চিহ্নিত হবে।  সেজন্যই এক অঞ্চল থেকে অন্যত্র সেনা সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার কাজ চলছে। ঠিক সেই সময় নতুন করে জঙ্গি হামলা হলো।

শনিবারের হামলার খবর ছড়িয়ে পড়ামাত্র ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, এই নিয়ে পাকিস্তান সমর্থিতসংগঠনগুলি ২০১৮ থেকে ২০১৯-এর মধ্যে ৩২৮ বার জম্মু ও কাশ্মিরে হামলা চালায়।  প্রায় আড়াই দশক ধরে গোষ্ঠীগুলো ক্রমাগত হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দাবি, সংঘর্ষে ১৯৯০ সাল থেকে চলতি বছরের মার্চ মাস পর্যন্ত সীমান্তবর্তী এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে প্রাণ হারিয়েছেন মোট ১৪ হাজার ২৪ জন। এর মধ্যে  ৫ হাজার ২৭৩ জন ভারতীয় জওয়ানও রয়েছেন।