অবরোধের ফলে ভারত থেকে স্থলপথে আমদানি বন্ধ হওয়ার কারণেই জ্বালানিসহ রসদের অভাব তৈরি হয়েছে। বেশ কয়েকটি পাহাড়ি জাতিগোষ্ঠী জ্বালানির জন্য কাঠের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ছে। এতে করে ঘরের ভেতরের বাতাস দূষিত হচ্ছে। যার ফলে শিশুদের স্বাস্থ্যের ওপর ক্ষতিকর প্রভাব পড়বে বলেও জানায় ইউনিসেফ।
ইউনিসেফের নির্বাহী পরিচালক অ্যানথনি লেক বলেন, শিশুরা হাইপোথারমিয়া (শরীরের তাপমাত্রা কমে যাওয়া)ও অপুষ্টিতে ভুগছে। প্রয়োজনীয় ওষুধ ও প্রতিষেধকের অভাবে নেপালের শিশুদের জীবন ঝুঁকির মধ্যে পড়ছে।
অ্যানথনি আরও বলেন, আমি কিছুদিন আগেই নেপাল থেকে ঘুরে এসেছি। সেখানে শিশুদের মানবেতর অবস্থা দেখে এসেছি। সম্প্রতি এত বড় ভূমিকম্পের ধাক্কা সামলে উঠতে না উঠেতেই আবারও বড় ধরনের স্বাস্থ্য বিপর্যয়ে পড়তে যাচ্ছে দেশটি।
এর কারণ হিসেবে নেপাল সরকার ভারতকে দায়ী করলেও ভারত কর্তৃপক্ষ তা অস্বীকার করে আসছে।
সম্প্রতি নেপালের সংবিধান সংশোধন নিয়ে কিছু ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী প্রতিবাদ সমাবেশ করায় ভারত- নেপাল সীমান্তে সংঘর্ষ শুরু হয়। এতে দুই দেশের সাধারণ নাগরিক ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যের মধ্যে হতাহতের ঘটনা ঘটে। ফলে নেপালে স্থলপথে পণ্য রফতানি অবরোধ জারি করা হয়। সূত্র: বিবিসি।
/ইউআর /এএ/