টাইমস নাউ এর বরাতে সংবাদমাধ্যমটি জানায়, সংশোধন কেন্দ্রে তিন বছরের সাজা শেষ হওয়ার পর একটি এনজিও’র নজরদারিতে রাখা হবে তাকে। এক বছর পর্যন্ত তার গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করা হবে।
'নির্ভয়া' ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় সাজা পাওয়া ৫ জনের মধ্যে ওই কিশোর অপরাধী সবচেয়ে ছোট। বাকি চারজনকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হলেও সংশোধন কেন্দ্রে রাখা হয় ওই কিশোরকে। ঘটনায় জড়িত আরেক আসামি বিচার চলাকালে কারাগারেই মারা যান। তবে মুক্তির পরও ওই কিশোরকে গভীর পর্যবেক্ষণে রাখার সুপারিশ করেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী মেনেকা গান্ধী।
ওই কিশোরের আদৌ কোন সংশোধন হয়েছে কিনা সে ব্যাপারে সন্দেহ জানিয়েছে 'নির্ভয়া'র পরিবারও।
ক্ষোভ জানিয়ে 'নির্ভয়া'র মা বলেন, `যখন ঘটনাটি ঘটেছে তখন ওই অপরাধীর বয়স প্রাপ্তবয়স্ক থেকে অল্প কয়েক মাস কম ছিল। আর সেকারণে তাকে সংশোধন কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু আদৌ কি তার সংশোধন হয়েছে? দেশজুড়ে হাজার হাজার নারী ধর্ষণের শিকার হচ্ছে। কোন কিছুর কি পরিবর্তন হয়েছে?’
২০১২ সালের ১৬ই ডিসেম্বর চলন্ত বাসে ধর্ষণের শিকার হন ওই মেডিকেল শিক্ষার্থী। মিডিয়ার পক্ষ থেকে তার নাম দেয়া হয় 'নির্ভয়া'। ঘটনার ১৩ দিন পর সিংগাপুরের একটি হাসপাতালে মারা যান তিনি।
/এফইউ/বিএ/