মাউন্ট ইটনা নামের এই আগ্নেয়গিরির অবস্থান সিসিলি দ্বীপের পূর্ব উপকূলীয় অঞ্চলে। ২ ডিসেম্বর ২০১৫ তারিখ রাতে অগ্ন্যুৎপাতের ফলে সৃষ্ট আলোর ঝলকানিতে দীপ্তিমান হয়ে উঠে পুরো এলাকা। দেখা মেলে এক নিগূঢ় বিস্ময়ের।
মেঘের ভেতর যেন খেলা করছে বিদ্যুতের ঝলকানি। আর আকাশের বুকে আগুনরঙা বেলুনের উড্ডয়ন!
২০১০ সালে আইসল্যান্ডীয় আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতে হিমবাহ থেকে বরফ ও পানির সঙ্গে ধূলিকণা মিশে একাকার হয়ে যায়। ফলে এটি একটি মলিন বজ্রঝড়ে পরিণত হয়।
ইউরোপের সর্বোচ্চ সক্রিয় আগ্নেয়গিরি মাউন্ট ইটনা’র উচ্চতা তিন হাজার ৩২৯ মিটার। আনুমানিক আড়াই মিলিয়ন বছর ধরে এটি জ্বলছে।
আধুনিককালে ইটনা’র পাদদেশের শহর ও গ্রামগুলোকে কংক্রিটের বাঁধ দিয়ে সুরক্ষিত করা হয়েছে। এই বাঁধ তৈরির উদ্দেশ্য হচ্ছে নির্গত লাভা যেন নিরাপদ ভূমিতে প্রবাহিত হয়।
এই আগ্নেয়গিরির পাঁচটি অগ্নিমুখ রয়েছে। এগুলো হচ্ছে: দ্য বোক্কা নুওভা, দ্য নর্থ-ইস্ট ক্র্যাটার, দ্য ভোরাজিন। বাকি দুইটি দক্ষিণ-পূর্বের ক্র্যাটার কমপ্লেক্সে। ১৯৪৫ সালে কেন্দ্রীয় অগ্নিমুখের গর্ভ থেকে গঠিত হয় দ্য ভোরাজিন অগ্নিমুখ।
এ অঞ্চলে আগ্নেয়গিরি চালিত হয় মূলত ইউরেশিয়ান প্লেটের সঙ্গে আফ্রিকান টেকটনিক প্লেটের সংঘর্ষজনিত কারণে। সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান।
/এমপি/