মালয়েশীয় সংবাদমাধ্যম মালে মেইল জানায়, হালাল নয় এমন পণ্যের জন্য সুপারমার্কেটে আলাদা ট্রলির ব্যবস্থা রাখার প্রস্তাব আর অমুসলিম শিক্ষার্থীদের জন্য স্কুলে আলাদা শ্রেণিকক্ষ রাখার পরিকল্পনার মধ্য দিয়ে মালয়েশিয়ার বর্ণবৈষম্যের প্রবণতা প্রবল হয়ে উঠছে বলে মন্তব্য করেছেন সাঈদ। তিনি বলেন, "কিছুদিন পর দেখা যাবে কোন কোন মুসলিম বলছেন, সুপারমার্কেটে হালাল নয় এমন পণ্যের সেকশন তারা দেখতে চান না। ওইসব সেকশনে চোখ পড়লে কেবল শুকরের মাংস আর অ্যালকোহল দেখা যায় এমন অভিযোগ করবেন তারা। আর এসব অজুহাত দেখিয়ে তারা আলাদা সুপারমার্কেট স্থাপনেরও প্রস্তাব দিয়ে বসতে পারেন।"
ইহুদি এবং খ্রিস্টানদের অধিকারের সুরক্ষা দেয়ার জন্য মহানবী হযরত মোহাম্মদ (স.) তাদের সঙ্গে চুক্তি করেছিলেন উল্লেখ করে সাঈদ বলেন, "ওই চুক্তিতে প্রার্থনালয়ে যাওয়া-আসার ক্ষেত্রে অন্য ধর্মের মানুষদের অধিকারের সুরক্ষা দেয়ার অঙ্গীকার করা হয়েছিল। আজ যদি নবীজী বেচে থাকতেন এবং তামান মেদানের ঘটনা সম্পর্কে জানতেন তবে আমি নিশ্চিত তিনি খ্রিস্টানদের অধিকারের সুরক্ষা দেয়ার জন্য লড়তেন।"
গত এপ্রিলে তামান মেদানের প্রেইজ পেতালিং জায়া চার্চের সামনে জড়ো হয়ে ভবনটির বহির্ভাগ থেকে ক্রস চিহ্ন তুলে নেয়ার দাবি জানিয়েছিল মালে’র এক দল মুসলিম।
এর আগেও বিভিন্ন সময়ে ভিন্ন ধর্মের প্রতি বৈষম্যমূলক সিদ্ধান্তের কারণে মালয়েশীয় সরকারকে সমালোচিত হতে হয়েছে।
গত আগস্টে কেবল একটি জাতিগোষ্ঠীর জন্য নির্মাণাধীন বুমিপুতেরা টেকনোলজি মলের সমালোচনা করে বারিসান ন্যাশনাল কম্পোনেন্ট পার্টি এমসিএ। চলতি মাসেই এর নির্মাণকাজ শেষ হবে। এমসিএ আশঙ্কা করছে, মলটি নির্মিত হলে দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবাদী চেতনার সময়কার জাতিবিদ্বেষমূলক চিত্র মালয়েশিয়ায় দেখা যাবে। সূত্র: মালে মেইল
/এফইউ/বিএ/