দ্য এয়াপোর্টস অথরিটি অব ইন্ডিয়া (এএআই) জানিয়েছে, বন্যার পানি কমে যাওয়ায় বিমানবন্দর এখন বিমান চলাচলের জন্য পুরোপুরি উপযুক্ত। তাই বিমানবন্দরের সব কার্যক্রম আগের মত শুরু করা হয়েছে।
কর্তৃপক্ষ অবশ্য আগেই জানিয়েছিল ৬ তারিখ থেকেই বিমানবন্দরের সব কাজ শুরু হবে। বিমানের ফ্লাইটও সঠিক সময়েই শুরু হবে।
এর আগে, লাগাতার বৃষ্টিতে কার্যত নদীর চেহারা নিয়েছিল চেন্নাই বিমানবন্দর। তার জেরে অচল হয়ে যায় বিমান পরিষেবা। ঘুরিয়ে দিতে হয় বহু ফ্লাইট। পানি নামতেই তাই ধীরে ধীরে ছন্দে ফেরার চেষ্টা করছে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ।
এদিকে, আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী রবিবার সকাল থেকে বৃষ্টি ছিল চেন্নাইয়ে। সবচেয়ে খারাপ অবস্থা কাঞ্চিপুরম আর তিরুভল্লুর জেলার। এসব এলাকায় এখনও পানিবন্দি লাখ লাখ মানুষ। ধুয়েমুছে গেছে রাস্তা, রেলপথ। এর মধ্যেই সকাল থেকে রেল পরিষেবা চালু হয়েছে কিছু জায়গায়।
কয়েকদিন বন্ধ থাকার পর রবিবার বেলা পৌনে ১২টায় নির্ধারিত সময়ে হাওড়া থেকে ছাড়ে চেন্নাইগামী ট্রেন।
পানি নামতে শুরু করার পর সবচেয়ে বড় সমস্যা নানা রোগের প্রকোপ। এর সঙ্গে রয়েছে জিনিসপত্রের চড়া দাম।
রবিবার কয়েকটি কয়েকটি পেট্রোল পাম্প ও এটিএম বুথ খোলা থাকায় দিনভর সেগুলোতে ছিল লম্বা লাইন। তামিলনাড়ু সরকার জানিয়েছে, দিন দু’য়েকের মধ্যেই পেট্রোল পাম্পগুলো স্বাভাবিক পরিষেবা দিতে শুরু করবে।
ইন্ডিয়ান অয়েল কর্পোরেশন জানিয়েছে, চেন্নাই শহর বা শহরতলিতে তেলের অভাব নেই। পানির হাত থেকে বাঁচতেই বেশিরভাগ পাম্প বন্ধ রয়েছে।
সরকারের দাবি, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসছে। চেন্নাইয়ের ৯০ শতাংশ এলাকায় বিদ্যুৎ পরিষেবা সক্রিয় করা গেছে। সোমবার থেকে শহর এবং শহরতলির সব পরিষেবাই স্বাভাবিক হবে বলে আশা করছে প্রশাসন। সূত্র: জি নিউজ, টাইমস অব ইন্ডিয়া।
/এমপি/