দিল্লির সঙ্গে পেরে উঠবে না চীন: ভারতীয় বিমান বাহিনী প্রধান

চীনের যে কোনও ধরনের হামলা মোকাবিলায় দিল্লি পুরোপুরি প্রস্তুত রয়েছে। সোমবার দিল্লিতে এক সংবাদ সম্মেলনে এমন মন্তব্য করেছেন ভারতের বিমান বাহিনী প্রধান আর কে এস ভাদুরিয়া। এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস।

আর কে এস ভাদুরিয়ার ভাষায়, ‘চীনের চেয়ে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখায় ভারতের শক্তি অনেক বেশি। ভারতীয় বাহিনী সামরিক কৌশলেও এগিয়ে রয়েছে। চীনা বাহিনী কিছুতেই ভারতের শক্তির সঙ্গে পেরে উঠবে না।’

তাহলে কি যুদ্ধ আসন্ন? ভাদুরিয়ার জবাব, ‘আমরা যে কোনও পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত।’

আর কে এস ভাদুরিয়া বলেন, ‌‘ভারতের বিমান বাহিনী সবকটি সীমান্তবর্তী এলাকায় শক্তি বাড়িয়েছে। লাদাখসহ স্পর্শকাতর এলাকাগুলোতে প্রস্তুতি আরও জোরদার করা হয়েছে। নর্দার্ন ও ওয়েস্টার্ন, দুই ফ্রন্টেই শক্তি বাড়ানো হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘শত্রুপক্ষের যে কোনও কৌশলগত চ্যালেঞ্জ ও আগ্রাসন মোকাবিলায় ভারতের বিমান বাহিনী প্রস্তুত রয়েছে। অরুণাচল, সিকিম ও উত্তরাখণ্ডের চীন সীমান্তে এরইমধ্যে যুদ্ধবিমান মোতায়েন করা হয়েছে।

ভাদুরিয়া বলেন, সীমান্তের সুরক্ষা নিয়ে ভারতের সশস্ত্র বাহিনী সব সময় প্রস্তুত ও সজাগ থাকে। সামরিক পর্যায়ের আলোচনায় চুক্তিবদ্ধ হওয়ার পরও চীনা বাহিনীর অন্যায্য আগ্রাসন কোনওভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। ভারতের দিকে পা বাড়ালে লাল সেনাকে যোগ্য জবাব দেওয়ার প্রস্তুতি দিল্লির রয়েছে।

নিজ দেশের সক্ষমতার দাবি করলেও উত্তেজনা প্রশমনে দুই দেশের আলোচনার ওপর জোর দিয়েছেন ভারতের বিমান বাহিনী প্রধান।

ভারতীয় সেনা সূত্রে জানা গেছে, প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখার তিন হাজার ৪৮৮ কিলোমিটার রেঞ্জে মিসাইল সিস্টেম তৈরি করছে বেইজিং। তাই চীনা বাহিনীকে সবদিক থেকে ঠেকাতে ভারতও নিজেদের সেরা ক্ষেপণাস্ত্রগুলোকেই সামনের সারিতে রেখেছে। ৩০০ কিলোগ্রাম ওয়ারহেডের ব্রাহ্মস মিসাইল এমনভাবে প্রস্তুত রাখা হয়েছে যাতে তিব্বত ও জিনজিয়াং বেস থেকে উড়ে আসে ফাইটার এয়ারক্রাফ্টকে ভেঙে গুঁড়িয়ে দিতে পারে। সূত্র: ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস, দ্য ওয়াল।