আজারবাইজান-আর্মেনিয়া সংঘাত: অস্ত্রবিরতির শুরুতেই লঙ্ঘনের অভিযোগ

আজারবাইজান ও আর্মেনিয়া দুই দেশই একে অপরের বিরুদ্ধে নাগরনো-কারাবাখ অঞ্চলে অস্ত্রবিরতি লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলেছে। শনিবার (১০ অক্টোবর) রাশিয়ার মধ্যস্থতায় অস্ত্রবিরতি কার্যকরের কয়েক মিনিটের মাথায় এ অভিযোগ করা হয়। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

নাগোরনো-কারাবাখ অঞ্চল নিয়ে আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের পুরনো সংঘাত গত ২৭ সেপ্টেম্বর (রবিবার) থেকে নতুন করে আবার শুরু হয়। গত কয়েক দিনের সংঘাতে ৩ শতাধিক মানুষের প্রাণহানি হয়েছে। শুক্রবার (৯ অক্টোবর) রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্রকে উদ্ধৃত করে মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউ ইয়র্ক টাইমস জানায়, রুশ প্রস্তাবে সাড়া দিয়ে দুই পক্ষ মস্কোতে যুদ্ধবিরতির আলোচনায় সম্মত হয়েছে। সেই আলোচনা শেষে রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ বাংলাদেশ সময় শনিবার ভোর ৬টার কিছু সময় আগে আজারবাইজান ও আর্মেনিয়ার মধ্যে অস্ত্রবিরতির আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেন।  রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, অস্ত্রবিরতিতে সম্মত হওয়ার পর এখন আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান পরবর্তী ‘ফলপ্রসূ’ আলোচনা শুরু করবে।

শনিবার (১০ অক্টোবর) দুপুর থেকে সে অস্ত্রবিরতি কার্যকর হতে শুরু করলেও, এর কয়েক মিনিটের মাথায় পরস্পরের বিরুদ্ধে তা লঙ্ঘনের অভিযোগ আনে দুই পক্ষ। আবার দুই দেশই নিজ নিজ পক্ষে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

আর্মেনিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়, সে দেশের একটি বসতিতে শেল নিক্ষেপ করেছে আজারবাইজান। কারাবাখে নিয়োজিত আর্মেনিয়ান বাহিনীর দাবি, যুদ্ধবিরতি কার্যকরের ৫ মিনিটের মাথায় আজেরিরা নতুন হামলা শুরু করেছে।

অপরদিকে আজারবাইজানের দাবি, কারাবাখের শত্রুপক্ষ আজেরি ভূখণ্ডে শেল নিক্ষেপ করেছে। এক বিবৃতিতে আজেরি প্রেসিডেন্ট ইলহাম আলিয়েভ বলেছেন, যুদ্ধরত পক্ষগুলো এখন রাজনৈতিক সমাধানে পৌঁছানোর চেষ্টা করছে। যুদ্ধবিরতি যে এখনও পুরোপুরি অকার্যকর যায়নি, বিবৃতিতে সে ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।