পেনসিলভানিয়া অঙ্গরাজ্যে জয়ের মধ্য দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পরবর্তী প্রেসিডেন্ট হওয়ার পথ সুগম হয়েছে ডেমোক্র্যাটিক পার্টির প্রার্থী জো বাইডেনের। এর মধ্যেই নেভাদা অঙ্গরাজ্যেও জয় পেয়েছেন ঝানু এই রাজনীতিক। প্রেসিডেন্ট হতে যেখানে ইলেক্টোরাল ভোটের প্রয়োজন হয় ২৭০টি। তবে সংবাদমাধ্যম এপি-র প্রজেকশন বলছে, এরইমধ্যে বাইডেনের প্রাপ্ত ইলেক্টোরাল ভোটের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৯০। অন্যদিকে তার প্রতিদ্বন্দ্বী ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রাপ্ত ইলেক্টোরাল ভোটের সংখ্যা ২১৪।
এপি-র প্রজেকশন অনুযায়ী, বাইডেন এরইমধ্যে ২৯০টি ইলেক্টোরাল ভোট নিশ্চিত করলেও নিউ ইয়র্ক টাইমস বাইডেনের ইলেক্টোরাল ভোট দেখাচ্ছে ২৭৯। অ্যারিজোনা অঙ্গরাজ্যের ফল নিয়েই এ সংশয় তৈরি হয়েছে। এপি-ফক্স সেখানে বাইডেনকে বিজয়ী ঘোষণা করলেও নিউ ইয়র্ক টাইমস বলছে অ্যারিজোনায় কারও জয়ের ব্যাপারে এখনও পূর্বাভাস দেওয়ার সময় হয়নি। তবে হোয়াইট হাউজে যাওয়ার পথে অ্যারিজোনার জয়-পরাজয় আর বাইডেনের জন্য কোনও খুব তাৎপর্যপূর্ণ নয়। কেননা, এটি ছাড়াই তিনি ২৭০টির বেশি ইলেক্টোরাল ভোট নিশ্চিত করে ফেলেছেন।
নেভাদা বিজয়ী হওয়ায় সেখানকার ছয় ইলেক্টোরাল ভোটের সবকটিই এখন বাইডেনের ঝুড়িতে। এপি-র প্রজেকশন বলছে, জর্জিয়াতেও জয় পাবেন ডেমোক্র্যাট প্রার্থী। সেক্ষেত্রে অ্যারিজোনাসহ তার মোট ইলেক্টোরাল ভোটের সংখ্যা দাঁড়াবে ৩০৬।
এদিকে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর জো বাইডেন বলেছেন, ‘অভূতপূর্ব বাধার মুখে রেকর্ড সংখ্যক আমেরিকান ভোট দিয়েছে। আবারও প্রমাণ হয়েছে, আমেরিকার অন্তরের গহীনে রয়েছে গণতন্ত্রের স্পন্দন।’
এক বিবৃতিতে ক্ষোভ আর তিক্ততাকে পেছনে ফেলে ঐক্যবদ্ধ জাতি গঠনের ডাক দিয়েছেন বাইডেন। তিনি বলেছেন, ‘আমেরিকান জনগণ বিশ্বাস করে আমাকে এবং ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিসকে যে দায়িত্ব দিয়েছে তাতে আমি আপ্লুত এবং সম্মানিত।’
তিনি বলেন, ‘প্রচার শেষ হয়ে যাওয়ার মধ্য দিয়ে ক্ষোভ ও তিক্ত বক্তব্যকে পেছনে ফেলে জাতি হিসেবে আমাদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার সময় এসেছে।’ সূত্র: এপি।