অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় এবং অ্যাস্ট্রজেনেকা উদ্ভাবিত করোনাভাইরাসের টিকা যুক্তরাজ্যে অনুমোদন পেলেও জানুয়ারিতেও তা ইউরোপে অনুমোদন পাবে না বলে ইঙ্গিত মিলেছে। ইউরোপীয়ান মেডিসিন এজেন্সি (ইএমএ) বুধবার এমন ইঙ্গিত দিয়েছে। ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপি’র প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।
যুক্তরাজ্যে ডিসেম্বরে ফাইজার ভ্যাকসিন অনুমোদন পাওয়ার পর দ্বিতীয় ভ্যাকসিন হিসেবে অনুমোদন পেয়েছে অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা। দেশটিতে এখন পর্যন্ত ছয় লাখেরও বেশি মানুষকে ফাইজারের ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে। তবে অক্সফোর্ডের ভ্যাকসিনটি টিকাদান কর্মসূচিতে একটি মাইলফলক তৈরি করবে বলে আশা করা হচ্ছে। কেননা, এটি অপেক্ষাকৃত সস্তা এবং এর ব্যবহারবিধি ব্যাপকভিত্তিক টিকাদান কর্মসূচির জন্য তুলনামূলক সহজ।
ইউরোপীয় ইউনিয়নে ওষুধ অনুমোদন দেওয়া নিয়ন্ত্রক সংস্থা ইএমএ গত ২১ ডিসেম্বর ফাইজারের টিকা ব্যবহারের অনুমোদন দেয়। আগামী ৬ জানুয়ারি সংস্থাটি মডার্নার ভ্যাকসিনও অনুমোদন দেবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বুধবার ইএমএ জানিয়েছে, অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকাটি অনুমোদনের জন্য এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে বাজারজাতকরণের অনুমোদনের আবেদন করা হয়নি। সেকারণে এটি অনুমোদনের সময়সীমা নির্ধারণ করা যায়নি।
বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে এ মাসেই ফাইজার টিকার অনুমোদন দেয় যুক্তরাজ্য। এরপর ইউরোপীয় ইউনিয়ন, যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডাসহ বিভিন্ন দেশ এই ধারাবাহিকতা অনুসরণ করে ভ্যাকসিনটির অনুমোদন দেয়।
তবে অক্সফোর্ড টিকা অনুমোদন পাওয়ার আলাদা তাৎপর্য রয়েছে। ফাইজার-বায়োএনটেকের ভ্যাকসিন যেমন ৭০ ডিগ্রি তাপমাত্রায় রাখার বাধ্যবাধকতা রয়েছে, এটিতে তা নেই। সাধারণ ফ্রিজেই এটি সংরক্ষণ করা সম্ভব।