স্মরণ সভায় লাখ লাখ মানুষ অংশ নেন। অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে প্যারিস হামলায় নিহতদের স্বজনেরাও ছিলেন। সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে বৃহত্তর ঐক্যের ডাক দেন তারা।
এর আগে ব্যঙ্গ পত্রিকা শার্লি এবদো হামলার প্রথম বার্ষিকীর দিন বৃহস্পতিবার (৭ জানুয়ারি) পুলিশের গুলিতে এক সন্দেহভাজন হামলাকারী নিহত হন। পুলিশের দাবি ওই ব্যক্তি ‘আল্লাহ আকবর’ ধ্বনি দিয়ে একটি পুলিশ স্টেশনে ঢুকে পড়ার চেষ্টা করছিল।
২০১৫ সালের ৭ জানুয়ারি শার্লি এবদোর কার্যালয়ে সন্ত্রাসী হামলায় কার্টুনিস্টসহ ১২ জন নিহত হন। নবী মুহাম্মদ (সঃ) কে নিয়ে ব্যঙ্গচিত্র প্রকাশের পর সন্ত্রাসীদের আক্রোশের শিকার হন শার্লি এবদোর সাংবাদিক ও কার্টুনিস্টরা। এরপর একটি ইহুদি সুপারমার্কেটে বন্দুকধারীদের হামলায় আরও ৫ জন নিহত হন। নিহতদের মধ্যে তিন পুলিশ কর্মকর্তাও ছিলেন। বৃহস্পতিবার (৭ জানুয়ারি) দিনটি স্মরণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ফ্রাঁসোয়া ওলাঁদের বক্তব্য শেষ হওয়ার পরপরই পুলিশের গুলিতে ওই ব্যক্তি নিহত হওয়ার খবর প্রকাশ পায়।
এরপর থেকে প্যারিসে আবারও সতর্কতা জারি করা হয়। আর গত বছর নভেম্বরের ১৩ তারিখে সন্ত্রাসবাদী হামলায় ১৩০ জন নিহত হওয়ার পর থেকেই ফ্রান্সে জরুরি অবস্থা জারি রয়েছে।
/বিএ/