ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানায়, সোমবার হঠাৎ করে তিরুচেন্দুর কাছাকাছি উপকূলীয় এলাকার দিকে ভেসে আসতে থাকে ওই তিমিগুলো। প্রায় ১৫ ফুট পর্যন্ত দৈর্ঘের তিমিগুলো বিভিন্ন তীরবর্তী এলাকায় আটকা পড়ে যায়। রাতভর তিমিগুলোকে পানিতে ফেরত পাঠানোর চেষ্টা করেন একদল জেলে।
মঙ্গলবারও একই কাজ অব্যাহত রাখেন তারা। কিন্তু পানিতে ফেরত পাঠানোর পরও তিমিগুলো বার বার তীরের দিকে ফেরত আসছিলো। এমন অবস্থায় মারা যায় ৪৫টি তিমি। স্থানীয় বন কর্মকর্তাদের দাবি, তিমিগুলো প্রশান্ত মহাসাগর থেকে হাজার হাজার কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে তামিলনাড়ুতে পৌঁছেছে। এদিকে তিমিগুলো ঠিক কী কারণে উপকূলের দিকে ভেসে এসেছে তা নিয়ে শুরু হয়েছে তদন্ত। জুলোজিক্যাল সার্ভে অব ইন্ডিয়ার সাবেক পরিচালক কে ভেনকাতারামন জানান, তিমি ও ডলফিনের মত সামুদ্রিক প্রাণীগুলো একজন নেতার অধীনে জোটবদ্ধ হয়ে চলাচল করে। তাদের দলনেতা অস্থির হয়ে পড়লে অন্যরাও অস্থির হয়ে পড়ে। ভূকম্পন, জোয়ারের সৌতসহ বিভিন্ন কারণে তিমি অস্থির হয়ে পড়তে পারে বলেও জানান তিনি।
উল্লেখ্য, ১৯৭৩ সালেও তামিল নাড়ুর উপকূলে ভেসে আসার পর মৃত্যু হয় ১৪৭টি তিমির। সূত্র: এনডিটিভি
/এফইউ/