স্বীকারোক্তির পর সুইডিশ মানবাধিকার কর্মীকে মুক্তি দিলো চীন

সুইডিশ মানবাধিকার কর্মী পিটার ডাহলিনদেশের নিরাপত্তা স্বার্থকে ক্ষতিগ্রস্ত করার অভিযোগে আটক সুইডিশ মানবাধিকার কর্মী পিটার ডাহলিনকে অবশেষে মুক্তি দিলো চীন। একইসঙ্গে তাকে চীন থেকে বিতাড়িত করা হয়েছে বলেও জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি।
চীনে মানবাধিকার কর্মী ও আইনজীবীদের ওপর ব্যাপক ধরপাকড়ের অংশ হিসেবে জানুয়ারির শুরুর দিকে আটক হন পিটার। চীনে আইনি সহায়তাবিষয়ক সংগঠন চায়না অ্যাকশনের প্রতিষ্ঠাতা তিনি। চীনের গ্রামগুলোতে পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে আইনি সহায়তা দেন এমন অনুমোদনহীন আইনজীবীদের সহায়তা দেওয়াই এ সংগঠনের কাজ।  
গত সপ্তাহে রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে হাজির করা হয় তাকে। সেসময় পিটার চীনের স্থানীয় মানবাধিকার আইনজীবীদের সহায়তা করার মধ্য দিয়ে আইন ভঙ্গ করেছেন এবং চীনা সরকার ও জনস্বার্থকে আঘাত করেছেন বলে স্বীকারোক্তি দেন। আর এর পরই পিটারকে মুক্তি দেওয়ার ঘোষণা দেয় চীন। তবে চায়না অ্যাকশনের দাবি, পিটারের কাছ থেকে জোর করে স্বীকারোক্তি আদায় করা হয়েছে।

মুক্তির পর পিটার এরইমধ্যে চীন ত্যাগ করেছেন বলে নিশ্চিত করেছে সুইডিশ দূতাবাস। তবে বিস্তারিত কিছু জানায়নি তারা।

এদিকে পিটারের মুক্তিকে স্বাগত জানালেও চীনে আটক থাকা আরেক নাগরিক গুই মিনহাইকে নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছেন সুইডেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মারগট ওয়ালসট্রম। সম্প্রতি হংকং পাবলিশিং হাইজের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট যে ৫ জনের নিখোঁজ হওয়া নিয়ে তোলপাড় চলছিল তাদের একজন মিনহাইকে। গত অক্টোবরে নিখোঁজ হন তিনি। মেইনল্যান্ডের সমালোচনা করে একটি বই নিয়ে কাজ করার কারণে চীন সরকার তাদের অপহরণ করিয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে।

চলতি মাসের শুরুতে মিনহাইকেও হাজির করা হয় চীনা মিডিয়াতে। সেসময় কয়েক বছর আগে মাতাল হয়ে গাড়ি চালানোর সময় একজনকে হত্যার দায় স্বীকার করে আত্মসমর্পণ করেছেন বলে জানান মিনহাই। সূত্র: বিবিসি

/এফইউ/