এর আগে এক অসমর্থিত সূত্রের বরাতে গার্ডিয়ানের খবরে বলা হয়, মোহাম্মদ হাসান নামের একজন পুলিশ কর্মকর্তা তাদের জানিয়েছেন, বালাদ শহরের স্থানীয় জনতা একজন বৃদ্ধ মানুষের মৃতদেহ পেয়েছেন, যিনি বিমান থেকে পড়ে গিয়ে থাকতে পারেন।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন জানায়, মঙ্গলবার মোগাদিসু থেকে জিবুতি যাওয়ার পথে দাল্লো এয়ারলাইন্সের একটি বিমানের ভেতর বিস্ফোরণ হয় ও আগুন লেগে যায়। সেসময় বিমানের ডানায় একটি ফুটো তৈরি হয় এবং সেখান দিয়ে পড়ে যান এক যাত্রী। পাইলট বাণিজ্যিক ফ্লাইটটিকে মোগাদিসুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণ করাতে বাধ্য হন। বিমানে বোমা বিস্ফোরিত হয়েছে বলে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন পাইলট। তবে এ ব্যাপারে সোমালিয়া সরকারের তরফে কিছু নিশ্চিত করা হয়নি। ঘটনার কারণ জানতে তদন্ত চলছে বলে জানানো হয়েছে।
এদিকে বিমানে তৈরি হওয়া গর্তের ছবি দেখে একজন এভিয়েশন বিশেষজ্ঞ বলেছেন, কোনও ডিভাইস বিস্ফোরণের কারণে এমনটি হয়েছে। দাল্লো এয়ারলাইন্সের বিমানটির পাইলট ভ্লাদিমির ভোডোপিভেক বলেন,‘আমি মনে করেছিলাম বোমার বিস্ফোরণ, তবে ফ্লাইটে কোন সমস্যা হয়নি। নিরাপদে অবতরণ করা সম্ভব হয়েছে।’ আর বিমানটিতে থাকা জাতিসংঘে সোমালিয়ার উপ রাষ্ট্রদূত আওয়ালে কুলানে বলেছেন, তিনি একটি শব্দ শুনেছেন ও ধোঁয়া দেখেছেন। এর বাইরে কোন সমস্যা হয়নি।
সোমালিয়া থেকে জিবুতিমুখি বিমানটিতে মোট ৭৪ জন যাত্রী ছিলেন। বিমান থেকে পড়ে যাওয়া ব্যক্তির মৃত্যু নিশ্চিত করার আগে সোমালিয়ার অ্যাভিয়েশন কর্তৃপক্ষ দুজনের সামান্য আহত হওয়ার কথা জানিয়েছিলো। সূত্র: সিএনএন, দ্য গার্ডিয়ান
/এফইউ/বিএ/