গার্ডিয়ানের খবরে বলা হয়েছে, প্রতিরক্ষামন্ত্রী মাইকেল ফ্যালন এই ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, ২০১০ সালের পর প্রথমবারের মতো ন্যাটোর স্থায়ী নৌবাহিনীর শক্তি বাড়াতে যাচ্ছে যুক্তরাজ্য। আর ন্যাটোতে আরও কতো সেনা পাঠানো হবে, সেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে এ বছরের ন্যাটো সম্মেলনে। পোল্যান্ডের ওয়ারসতে জুলাইয়ে ওই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।
বেশ কিছুদিন ধরেই সেনা উপস্থিতি বাড়ানোর জন্য যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য এবং জার্মানিকে অনুরোধ জানিয়ে আসছে পূর্ব ইউরোপীয় দেশ পোল্যান্ড, বুলগেরিয়া, রোমানিয়া, লাটভিয়া, লিথুয়ানিয়া এবং জার্মানি। তারা মনে করছে, ওই তিনটি দেশের সেনা উপস্থিতি রাশিয়ার ওপর চাপ তৈরি করতে সক্ষম হবে।
স্নায়ুযুদ্ধ শেষ হওয়ার পর থেকে ইউরোপ থেকে সেনা প্রত্যাহার করে আসছিলো যুক্তরাষ্ট্র। তবে গত সপ্তাহে সেনা প্রত্যাহারের অবস্থান পাল্টে রাশিয়ার বিরুদ্ধে ইউরোপে সেনা উপস্থিতির খরচ চার গুণ করার ঘোষণা দেয় দেশটি।
বুধবার ব্রাসেলসে ন্যাটোর বৈঠকে যোগ দেবেন ব্রিটিশ প্রতিরক্ষামন্ত্রী। বৈঠকে রাশিয়া ইস্যুতে আলোচনা প্রাধান্য পাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। প্রতিরক্ষামন্ত্রী ফ্যালন বলেন, ‘ন্যাটোতে সেনা মোতায়েন বাড়ানোর মধ্য দিয়ে আমরা শত্রুপক্ষকে এমন বার্তা দিতে চাই যে, আমাদের মিত্র পক্ষের জন্য হুমকি তৈরিকারী যেকোনও পদক্ষেপ মোকাবিলায় আমরা প্রস্তুত। ২০১৬ সালে বাল্টিক অঞ্চলের দিকে সবার নজর থাকবে।’
ন্যাটোর দাবি, ইউক্রেনের মতো অন্য রাষ্ট্রগুলোতেও যেন রাশিয়া হস্তক্ষেপ না করতে পারে সেজন্য বাল্টিক রাষ্ট্রগুলোতে সেনা উপস্থিতি বাড়ানো হচ্ছে। সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান
/এফইউ/