নিম্নবর্গের জন্য কোটা বরাদ্দের দাবিতে জাট আন্দোলনকে কেন্দ্র করে সহিংসতায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৯ জনে পৌঁছেছে। শনিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত ঝাঝরে চারজন ও কাইথালে একজনের নিহত হওয়ার সংবাদ নিশ্চিত করেছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।
পুলিশের দাবি,আন্দোলনকারীরা হরিয়ানার অর্থমন্ত্রীর কার্যালয় ও একটি পুলিশ স্টেশন আক্রমণ করলে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়।
শনিবার এই আন্দোলনের উত্তেজনা দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের উত্তর ক্যাম্পাস পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে ও আন্দোলনকারীরা একটি মহাসড়ক অবরোধ করে।
শুক্রবার আন্দোলনকারীরা অর্থমন্ত্রীর বাসভবনে ঢুকে অগ্নিসংযোগ করলে গুলি চালায় পুলিশ। এতে অন্তত তিন জনের প্রাণহানি ঘটে। শুক্রবার রাতে সর্বদলীয় এক বৈঠক শেষে মুখ্যমন্ত্রী মনোহরলাল খাট্টার আন্দোলন প্রত্যাহারের অনুরোধ করলেও তা না মেনে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন জাট সম্প্রদায়ের মানুষ।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রোহতক, ভিওয়ানি, বাহাদুরগঞ্জ, হিসার ও ঝাঝর শহরে কারফিউ জারি করা হয়েছে। পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে আহত হয়েছেন অন্তত ৬০ জন। জাট আন্দোলনের প্রভাব হরিয়ানা ছাড়িয়ে দিল্লি এবং উত্তরপ্রদেশেও ছড়িয়ে পড়ছে বলে সংবাদমাধ্যমের খবরে জানা গেছে।
প্রসঙ্গত,আন্দোলনকারীদের দাবি, সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও চাকরিতে অন্যান্য সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মতো তাদেরকেও কোটা পদ্ধতির সুযোগ দিতে হবে। এই দাবিতে জাট সম্প্রদায় বেশ কিছুদিন ধরেই সোচ্চার রয়েছে। সূত্রঃ এনডিটিভি
/ইউআর/